অসম বৈভব ২০২৫ ডাঃ হর্ষ ভট্টাচার্যকে, নুরউদ্দিন আহমেদ-সহ ১৪ জন ও ২টি প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে অসম সৌরভ ও অসম গৌরব পুরস্কার

Story by  Munni Begum | Posted by  Aparna Das • 8 h ago
অসম বৈভব ২০২৫ ডাঃ হর্ষ ভট্টাচার্যকে, নুরউদ্দিন আহমেদ-সহ ১৪ জন ও ২টি প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে অসম সৌরভ ও অসম গৌরব পুরস্কার
অসম বৈভব ২০২৫ ডাঃ হর্ষ ভট্টাচার্যকে, নুরউদ্দিন আহমেদ-সহ ১৪ জন ও ২টি প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে অসম সৌরভ ও অসম গৌরব পুরস্কার
 
মুন্নি বেগম / গুয়াহাটি

অসমের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘অসম বৈভব’, ‘অসম সৌরভ’ এবং ‘অসম গৌরব’ পুরস্কারের ২০২৫ সালের প্রাপকদের নাম চূড়ান্ত করল অসম সরকার। শুক্রবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এ বছর রাজ্যের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘অসম বৈভব’ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ হর্ষ ভট্টাচার্য। অন্যদিকে, ‘অসম সৌরভ’ পুরস্কারের জন্য চারজন এবং ‘অসম গৌরব’ পুরস্কারের জন্য ১০ জন ব্যক্তি ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালের রাজ্য অসামরিক পুরস্কারগুলি গত বছর প্রদান করা সম্ভব হয়নি। তাই এ বছর প্রাপকদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নির্বাচিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে সম্মানিত করা হবে। অন্যদিকে, ২০২৬ সালের পুরস্কারপ্রাপকদের নাম আগামী নভেম্বর মাসে ঘোষণা করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
পুরস্কারপ্রাপকদের নাম চূড়ান্ত করতে মন্ত্রী ডাঃ রণোজ পেগু, জয়ন্ত মল্লবরুয়া, অজন্তা নেওগ এবং কেশব মহন্তকে নিয়ে গঠিত মন্ত্রিসভার উপসমিতি মনোনয়নগুলি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই প্রাপকদের নির্বাচন করা হয়েছে।
 
ডাঃ হর্ষ ভট্টাচার্য পাচ্ছেন অসম বৈভব
 
২০২৫ সালের রাজ্যের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘অসম বৈভব’ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত বিশিষ্ট চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ হর্ষ ভট্টাচার্য উত্তর-পূর্ব ভারতের চক্ষু চিকিৎসার ক্ষেত্রে অন্যতম অগ্রণী ব্যক্তিত্ব। শিলচরে জন্মগ্রহণকারী এই চিকিৎসক আধুনিক চক্ষু চিকিৎসার প্রসার এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পরিষেবাকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
 
গুয়াহাটির শ্রীশঙ্করদেব নেত্রালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মেডিক্যাল ডিরেক্টর ও প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডাঃ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১৯৯৪ সালে এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। উত্তর-পূর্ব ভারতে চক্ষু চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নতুন দিগন্তের সূচনা করে। বিশেষ করে ছানি অস্ত্রোপচার, রেটিনার জটিল রোগের চিকিৎসা, শিশুদের চক্ষু চিকিৎসা এবং আধুনিক চক্ষু অস্ত্রোপচারে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
 
দরিদ্র ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া রোগীদের কাছে উন্নত চক্ষু চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। চিকিৎসাক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে অসম বৈভব পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
 
অসম সৌরভ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত চার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব
 
২০২৫ সালের ‘অসম সৌরভ’ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ডঃ কুশল কোঁওর শর্মা, বিশিষ্ট শিল্প নির্দেশক নুরউদ্দিন আহমেদ, কণ্ঠশিল্পী পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সারস সংরক্ষণকর্মী ডঃ পূর্ণিমা দেবী বর্মন।
 
ডঃ কুশল কোঁওর শর্মা
 
অসমের ‘হাতির চিকিৎসক’ হিসেবে পরিচিত ডঃ কুশল কোঁওর শর্মা বন্যপ্রাণীর চিকিৎসা ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছেন। অসম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন খানাপাড়ার পশুচিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ের শল্যচিকিৎসা ও রেডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।
 
বিশেষ করে বন্য ও গৃহপালিত হাতির চিকিৎসা, আহত হাতি উদ্ধার, অচেতন করে চিকিৎসা এবং বন্যপ্রাণী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছেন। কয়েক দশক ধরে হাজার হাজার হাতির চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত এই চিকিৎসক ২০২০ সালে দেশের সম্মানজনক পদ্মশ্রী পুরস্কারও পেয়েছেন। বন্যপ্রাণীর প্রতি তাঁর নিষ্ঠা ও চিকিৎসাসেবার জন্য তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিতি লাভ করেছেন।
 
নুরউদ্দিন আহমেদ
 
অসম সৌরভ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত নুরউদ্দিন আহমেদ অসমের ভ্রাম্যমাণ থিয়েটার জগতের একজন প্রখ্যাত শিল্প নির্দেশক, মঞ্চসজ্জা শিল্পী ও ভাস্কর। নলবাড়ি জেলার শাঠিকুচি গ্রামে জন্মগ্রহণকারী এই শিল্পী চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অসমের নাট্যজগৎ, চলচ্চিত্র এবং ভাস্কর্যশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
 
বিশেষত ভ্রাম্যমাণ থিয়েটারের মঞ্চে আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিনব শিল্পকৌশল ব্যবহার করে দর্শকদের নতুন অভিজ্ঞতা দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন।
 
‘টাইটানিক’-এর মতো জটিল দৃশ্য মঞ্চে জীবন্তভাবে উপস্থাপন করে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন নুরউদ্দিন আহমেদ। মঞ্চসজ্জার পাশাপাশি ভাস্কর্য নির্মাণ, পুজোর মণ্ডপের শিল্পসজ্জা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রকল্পেও তাঁর প্রতিভার পরিচয় রয়েছে। ২০১৭ সালের সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত এই শিল্পী ২০২৬ সালে ভারত সরকারের পদ্মশ্রী সম্মানেও ভূষিত হন। অসমের নাট্যকলার দৃশ্যগত উপস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করার স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে অসম সৌরভ পুরস্কারের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।
 
পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়
 
অসমের সংগীতজগতের বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বছর অসম সৌরভ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে অসমীয়া সংগীতের সঙ্গে যুক্ত এই শিল্পী অসংখ্য গানে কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।
 
বিশেষত ‘সোঁওরণি’ শীর্ষক অডিও ক্যাসেটের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। আধুনিক অসমীয়া গানের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের নেপথ্য সংগীতেও তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। ১৯৯৯ সালের জন্য অসম সরকারের সেরা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পীর পুরস্কারপ্রাপ্ত পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সংগীত পরিচালনার ক্ষেত্রেও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। অসমীয়া সংগীতের সমৃদ্ধিতে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হচ্ছে।
 
ডঃ পূর্ণিমা দেবী বর্মন
 
বৃহৎ সারস বা হাড়গিলা পাখি সংরক্ষণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিতি অর্জন করেছেন ডঃ পূর্ণিমা দেবী বর্মন। বিলুপ্তির আশঙ্কায় থাকা এই পাখির সংরক্ষণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। বিশেষ করে কামরূপ জেলার দদরা, পচরিয়া ও শিঙিমারি অঞ্চলে স্থানীয় মহিলাদের একত্রিত করে তাঁর গড়ে তোলা ‘হাড়গিলা আর্মি’ সংরক্ষণ আন্দোলনে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
 
হাড়গিলার বাসা সুরক্ষা, স্থানীয় মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, জলাভূমি সংরক্ষণ এবং মহিলাদের আর্থিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে তাঁর উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২২ সালে তিনি রাষ্ট্রপুঞ্জের পরিবেশ কর্মসূচির সম্মানজনক ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার পান। এ ছাড়া ২০১৭ সালে হুইটলি পুরস্কার এবং ২০২৪ সালে হুইটলি গোল্ড পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। তাঁর উদ্যোগ অসমের হাড়গিলা সংরক্ষণকে বিশ্ব পরিবেশ আন্দোলনের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
 
অসম গৌরবের তালিকায় খেলোয়াড় থেকে কৃষক
 
২০২৫ সালের ‘অসম গৌরব’ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত ১০ জন হলেন সমাজকর্মী দেবীপ্রসাদ বাগরোডিয়া, ফুটবল খেলোয়াড় হলিচরণ নার্জারি, ক্রিকেট তারকা সিমু দাস, অয়েল পাম চাষি হরকান্ত বসুমতারি, সাঁচিপাত সংরক্ষণকর্মী ধনজিৎ তালুকদার, খাদ্য ও পর্যটন উদ্যোগী নিবেদিতা ইয়েইন, দাবাড়ু ময়ঙ্ক চক্রবর্তী, আদা চাষি জিতেন ফাংছো, দুগ্ধপালনের সঙ্গে যুক্ত তনুমায়া সোনার বিশ্বকর্মা এবং ভ্রমণ ও পর্যটন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব লাহন।
 
এ ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘কলং কপিলী’ এবং কৃষক উৎপাদক সংস্থা ‘পদুম পথার অ্যাগ্রো অর্গানিক প্রোডিউসার কোম্পানি লিমিটেড’-কে অসম গৌরব পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
ক্রীড়া, কৃষি, পর্যটন, সমাজসেবা এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে।
 
ঊষা মঙ্গেশকর পাচ্ছেন প্রথম ‘ভারতরত্ন ডঃ ভূপেন হাজরিকা পুরস্কার’
 
শুক্রবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত সুধাকণ্ঠ ডঃ ভূপেন হাজরিকার স্মৃতিতে ‘ভারতরত্ন ডঃ ভূপেন হাজরিকা পুরস্কার’ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম সরকার।
 
প্রতি তিন বছর অন্তর সংগীত, শিল্পকলা অথবা চলচ্চিত্র জগতের জাতীয় বা আন্তর্জাতিক স্তরের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে এই পুরস্কার দেওয়া হবে। পুরস্কারের সঙ্গে একটি মানপত্র এবং ১০ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ প্রদান করা হবে।
 
মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সম্মানজনক পুরস্কারের প্রথম প্রাপক হবেন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী ঊষা মঙ্গেশকর।
 
উল্লেখ্য, আগামী ২৯ নভেম্বর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ডঃ ভূপেন হাজরিকার জন্মশতবার্ষিকীর সমাপ্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সুধাকণ্ঠের জন্মশতবার্ষিকীর এই বিশেষ সময়ে তাঁর নামে নতুন পুরস্কার চালুর সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
 
মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শঙ্করদেব পুরস্কারের অর্থমূল্য বেড়ে ১৫ লক্ষ টাকা
 
একই মন্ত্রিসভার বৈঠকে মর্যাদাপূর্ণ ‘মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শঙ্করদেব পুরস্কার’-এর অর্থমূল্য বাড়িয়ে ১৫ লক্ষ টাকা করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
 
অসমের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শঙ্করদেবের অসামান্য অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কারের অর্থমূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
 
সব মিলিয়ে শুক্রবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের অসামরিক পুরস্কারপ্রাপকদের নাম চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অসমের দুই মহান ব্যক্তিত্ব শ্রীমন্ত শঙ্করদেব ও ডঃ ভূপেন হাজরিকার নামাঙ্কিত সম্মানগুলিকে ঘিরেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, নাট্যকলা, সংগীত, পরিবেশ রক্ষা, ক্রীড়া, কৃষি ও সমাজসেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে এ বছরের পুরস্কার ঘোষণা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।