প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে কঠোর আইন, আগামী সপ্তাহেই সংসদে বিল আনবে কেন্দ্র: প্রধানমন্ত্রী মোদি

Story by  PTI | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 17 h ago
প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে কঠোর আইন, আগামী সপ্তাহেই সংসদে বিল আনবে কেন্দ্র: প্রধানমন্ত্রী মোদি
প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে কঠোর আইন, আগামী সপ্তাহেই সংসদে বিল আনবে কেন্দ্র: প্রধানমন্ত্রী মোদি
 
নয়াদিল্লি: 

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহেই সংসদে নতুন বিল আনা হবে বলে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, এই বিলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলটির খসড়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত আইনটি চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি বলেন, "শুক্রবার মন্ত্রিসভায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের পরামর্শের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ চূড়ান্ত করা হবে। সোমবার থেকে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হবে এবং সেদিনই প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান-সহ একটি বিল সংসদে পেশ করা হবে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব বিলটি পাশ করানোর চেষ্টা করব।"

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনও ছোট বিষয় নয়। লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের কাছে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত কষ্টদায়ক।তিনি জানান, প্রায় আড়াই মাস আগে NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই কেন্দ্র সরকার একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

"অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা এখন জেলে রয়েছে। আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল, যাতে কোনও ছাত্রছাত্রীর একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না হয়। তাই দ্রুত পুনঃপরীক্ষা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল। সরকারের সব ধরনের সম্পদ ব্যবহার করে ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীর পুনঃপরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে," বলেন প্রধানমন্ত্রী।

মোদি জানান, চিকিৎসা শিক্ষার প্রবেশিকা পরীক্ষার পুনঃপরীক্ষার ফল ১৯ জুলাই প্রকাশ করা হয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সফল পরীক্ষার্থীদের আনন্দের খবর এসেছে।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "শুধু এতেই আমি সন্তুষ্ট নই। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের নির্দেশ দিয়েছি। ইতিমধ্যেই ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হয়েছে, যাতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।"


শেহতীয়া খবৰ