ডিফু
আসামের পার্বত্য জেলা কার্বি আংলং এবার জায়গা করে নিল আন্তর্জাতিক রেকর্ডবুকে। জেলার বাসিন্দা রিসিম রংপি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্বীকৃতি পেলেন বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ঢেঁড়স (lady's finger) গাছ উৎপাদনের জন্য। এই কৃতিত্বের মাধ্যমে তিনিই হলেন কার্বি আংলং থেকে প্রথম ব্যক্তি, যাঁর নাম উঠল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের দেওয়া সার্টিফিকেশন অনুযায়ী, রিসিম রংপির উৎপাদিত ঢেঁড়স গাছটি আগের বিশ্বরেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জ্যাক রেনো সুইনির দখলে। রংপির এই সাফল্যের ফলে কৃষিক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল কার্বি আংলং।
জানা গেছে, কোনও আধুনিক প্রযুক্তি নয়, সম্পূর্ণভাবে প্রথাগত চাষপদ্ধতি ও নিয়মিত যত্নের মাধ্যমেই এই রেকর্ড-ব্রেকিং ঢেঁড়স গাছটি育ত করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং কার্বি আংলং অঞ্চলের কৃষিসম্ভাবনা এবং কৃষকদের অধ্যবসায়ের প্রতিফলন।
রিসিম রংপির এই স্বীকৃতিতে সমাজের নানা স্তর থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। অনেকেই একে কার্বি আংলং এবং সমগ্র আসামের জন্য গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি এই সাফল্য তরুণ প্রজন্ম ও কৃষকদের জন্য এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে, যাতে তাঁরা উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও টেকসই কৃষিপদ্ধতির দিকে আরও আগ্রহী হন।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে রিসিম রংপির অন্তর্ভুক্তি কার্বি আংলং জেলার জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক, যা প্রমাণ করল, কৃষির মাধ্যমেও বিশ্বদরবারে নিজেদের পরিচিতি গড়ে তোলা সম্ভব।