জুলাইয়ে ভারত সফরে আসতে পারেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, দিল্লিতেই হওয়ার সম্ভাবনা বৈঠকের
নয়াদিল্লি:
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগামী ১ থেকে ৩ জুলাইয়ের মধ্যে তাঁর প্রথম সরকারি ভারত সফরে আসতে পারেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। যদিও প্রথমে অসমের গুয়াহাটিকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন লজিস্টিক কারণে শীর্ষ বৈঠকটি নয়াদিল্লিতেই অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির ব্যস্ত অভ্যন্তরীণ কর্মসূচির কারণে সফরের সময়সীমা অত্যন্ত সীমিত। রাজধানীর বাইরে সফর আয়োজনের সঙ্গে জড়িত অতিরিক্ত প্রস্তুতি ও সময়ের কথা বিবেচনা করে দিল্লিকেই চূড়ান্ত করার দিকে ঝুঁকেছে দুই দেশ। একইসঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে কয়েকটি বিশেষ কর্মসূচিও এই সফরে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছিলেন, ১ জুলাই গুয়াহাটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকের জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রী আসতে পারেন। জাপানের সংবাদমাধ্যম ‘নিক্কেই’-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে ৫০টিরও বেশি জাপানি সংস্থা ও শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা ভারত সফরে আসবেন।
জাপানের সরকারি সম্প্রচার সংস্থা এনএইচকে-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি ও সানায়ে তাকাইচির বৈঠকে নিরাপত্তা, অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। গত বছর প্রধানমন্ত্রী মোদির জাপান সফরের সময় আগামী এক দশকের জন্য যে যৌথ ভিশন ঘোষণা করা হয়েছিল, তার বাস্তবায়নের বিষয়েও দুই নেতা আলোচনা করবেন।
উল্লেখ্য, চলতি মাসে ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিয়ে বহুমুখী সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন।
প্রয়াত জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সানায়ে তাকাইচি বর্তমানে জাপানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শিনজো আবে গুয়াহাটিতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তা শেষ মুহূর্তে স্থগিত হয়ে যায়।