শান্তি প্রিয় রায়চৌধুরী:
২২ নভেম্বর থেকে গুয়াহাটিতে ভারত দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় টেস্ট।দুই ম্যাচের সিরিজ। কলকাতা টেস্ট ভারত হেরে যাওয়ার জন্য এই টেস্ট ভারতের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে অধিনায়ক শুভমন গিলের খেলা অনিশ্চিত। অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও কিন্তু জাতীয় নির্বাচকরা সিরিজের নির্ণায়ক ম্যাচের জন্য কোনও ব্যাক-আপ ব্যাটসম্যানকে নিচ্ছেন না, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কলকাতায় প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র তিনটি বল খেলার পরই ঘাড়ে চোট পেয়ে অবসর নিয়ে ছিলেন শুভমন গিল। দ্বিতীয় ইনিংসেও তিনি ব্যাট করেননি। এর ফলে একটি কম ব্যাটসম্যান নিয়েই ভারতকে খেলতে হয়েছে। এরফলে
অধিনায়ক এবং দলের একজন গুরুত্বপূর্ন ব্যাটসম্যান হিসেবে তার অনুপস্থিতি ভারতের পরাজয়ের ক্ষেত্রে একটা কারণও বলা যেতে পারে।
পরে গিলকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হলেও এখনও দ্বিতীয় টেস্টে গিলকে নামানোর ব্যাপারে নির্বাচকরা নিশ্চিত নয়। শোনা যাচ্ছে ঘাড়ের আঘাতের সংবেদনশীল প্রকৃতি এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ব্যস্ত আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডারের কারণে, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং নির্বাচকরা তাকে পুরোপুরি ফিট ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ঝুঁকি নেওয়ার সম্ভাবনা কম। বৃহস্পতিবারের মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টে তার উপস্থিতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচক মন্ডলী।
গিল যদি বাদও পড়েন তাহলে তার জায়গায় নির্বাচকরা অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন না। কারনটা একটাই ভারতীয় দলে পর্যাপ্ত ব্যাটিং রিসোর্স রয়েছে। কলকাতা টেস্টের জন্য রিজার্ভ খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন বি. সাই সুধারসন এবং দেবদত্ত পাদিক্কাল, উভয়ই বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান। দক্ষিণ আফ্রিকা এ-এর বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া এ-এর একদিনের সিরিজের জন্য ছাড়া পাচ্ছেন নীতীশ কুমার রেড্ডি। তিনি গুয়াহাটিতে দলে ফিরে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তাই পর্যাপ্ত গভীরতা হাতে থাকায়, টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তাটা কিছুটা কম। তবে গিল অনুপস্থিত থাকলে বাকি খেলোয়াড়দের উপর নির্ভর করবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মূহুর্তে নিজেদের মেলে ধরা।