SIR থেকে জনগননা ইস্যু, সিদ্দিকুল্লার নেতৃত্বে কলকাতায় জমিয়তের বিরাট মিছিল, দাবি না মানলে হবে জেলায় জেলায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন

Story by  Tarun Nandi | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 3 h ago
SIR থেকে জনগননা ইস্যু, সিদ্দিকুল্লার নেতৃত্বে কলকাতায় জমিয়তের বিরাট মিছিল, দাবি না মানলে হবে জেলায় জেলায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন
SIR থেকে জনগননা ইস্যু, সিদ্দিকুল্লার নেতৃত্বে কলকাতায় জমিয়তের বিরাট মিছিল, দাবি না মানলে হবে জেলায় জেলায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন

তরুণ নন্দী, কলকাতাঃ 

SIR-এ নাম বাদ চলে গেছে বহু সংখ্যালঘু ভোটারদের। আর এই নাম বাদ যাওয়া নিয়ে পাসপোর্ট থেকে পড়াশোনার সুযোগ সব জায়গাতেই সমস্যায় পড়ছেন তাঁরা। এরই প্রতিবাদে কলকাতা শহরে বিরাট প্রতিবাদ মিছিল করল ‘জমিয়তে উলামা হিন্দ’। এদিন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নেতৃত্বে সংখ্যালঘুরা ভোটাররা কলকাতার রাজপথ রাজাবাজার থেকে মৌলালি পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে মিছিল করেন। আদালতের নির্দেশ মেনে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ রেখে এই মিছিলে অংশ নেন রাজ্য ও জেলা স্তরের হাজার হাজার প্রতিনিধি।
অভিযোগ তোলা হয়, এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় বহু বৈধ সংখ্যালঘু ভোটারের নাম তালিকা থেকে অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। ভোটার তালিকায় নাম না থাকার ফলে সাধারণ নাগরিকরা রীতিমত সমস্যায় পড়ছেন পাসপোর্ট তৈরি, পরিচয়পত্র সংশোধন কিম্বা প্রয়োজনীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুযোগ পাওয়া থেকে। এদিনের কর্মসূচি থেকে দাবি তোলা হয়, সাধারণ মানুষকে আর হয়রানি করা যাবে না। সব সমস্যার সমাধান করতে দ্রুত প্রতিটি জেলায় বিশেষ ‘ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করতে হবে। একমাত্র এই পদ্ধতিতেই বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের নাম পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে।

গণতন্ত্রের সুরক্ষা ও নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের যৌথ হস্তক্ষেপ দাবি করে সুর চড়ালেন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, অবৈধভাবে দেশে আসা ব্যক্তিদের বিষয়ে তার সংগঠন কোনও মন্তব্য করছে না। তবে দেশের বৈধ নাগরিকদের বছরের পর বছর ট্রাইব্যুনাল বা আইনি জটিলতায় আটকে রাখা চরম উদ্বেগের বিষয়। এক্ষেত্রে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, নাগরিকদের সমস্যার সমাধান না হলে দেশের স্বার্থে এবং গণতন্ত্রের স্বার্থে জেলায় জেলায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
 
সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির নেতৃত্বে কলকাতার রাজপথে  সংখ্যালঘু ভোটার
 
পাশাপাশি জনগণনা নিয়েও সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনা করেন প্রতিবাদীরা। তাঁদের যুক্তি, অনলাইনে জনগণনা প্রক্রিয়ায় অনেক নাগরিকই জানেন না। ফলে তথ্য সংগ্রহের জন্য আরও অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক তদারকি বাড়ানো জরুরি বলে মনে করেন তাঁরা। পাশাপাশি মসজিদে মাইক ব্যবহার নিয়ে এদিন মতপ্রকাশ করেন মিছিলের প্রতিবাদীরা।

এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তের রাজ্য সম্পাদক মুফতি আব্দুস সালামসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরির নেতৃত্বে এই মিছিলে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে শহরজুড়ে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মত। একেবারে শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয় এই জমিয়তের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি।


শেহতীয়া খবৰ