২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাসের প্রস্তুতির মধ্যেই সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত মসজিদে নববীতে ইতেকাফ পালন করতে ইচ্ছুক মুসলিমদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বনবী হজরত মহম্মদ (সা.)-এর পবিত্র মসজিদে এবার থেকে ইতেকাফের জন্য অস্থায়ী তাঁবুর পরিবর্তে স্থায়ী পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তুতি চলছে।
এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে রমজানের শেষ কয়েকটি দিনে ইবাদত করার জন্য মসজিদে নববীতে উপস্থিত মুসলিমরা আগের তুলনায় আরও সুবিধাজনক ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর রমজানের প্রস্তুতি এবং ইতেকাফের নতুন ব্যবস্থা নিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
মদিনার মসজিদে নববী ইসলাম ধর্মের অন্যতম পবিত্র মসজিদ। প্রতি বছর রমজান মাসে নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া এবং অন্যান্য ইবাদতের উদ্দেশ্যে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মুসলিম এখানে উপস্থিত হন।
বিশেষ করে রমজানের শেষ দশ দিনে ইতেকাফ পালন করতে আসা মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এমন পরিস্থিতিতে তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, থাকা-খাওয়ার সুবিধা এবং ইবাদতের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য হল এই ব্যবস্থাকে আরও সহজ, উন্নত ও সুশৃঙ্খল করে তোলা।
অস্থায়ী তাঁবুর পরিবর্তে স্থায়ী ব্যবস্থা
মসজিদে নববীতে ইতেকাফের জন্য নতুন ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থায়ী পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
এর আগে রমজান মাসে ইতেকাফ পালনকারী এবং নামাজ আদায় করতে আসা মানুষের জন্য অস্থায়ী তাঁবু স্থাপন করা হত। রমজান মাস শেষ হওয়ার পর সেই তাঁবুগুলি আবার সরিয়ে ফেলতে হত। প্রতি বছর একই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি করতে হওয়ায় যথেষ্ট সময় ও পরিশ্রমের প্রয়োজন হত।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইতেকাফের জন্য স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে প্রতি বছর নতুন করে তাঁবু স্থাপন এবং পরে তা সরিয়ে ফেলার প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমতে পারে। পাশাপাশি মসজিদ কর্তৃপক্ষ ইতেকাফের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলি আগেভাগেই প্রস্তুত রাখার সুবিধা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে এই স্থায়ী পরিকাঠামোর চূড়ান্ত রূপ কেমন হবে, কতজন মানুষ এর সুবিধা নিতে পারবেন এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী কী নিয়ম প্রযোজ্য হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত সরকারি নির্দেশিকা এখনও প্রকাশিত হয়নি।
প্রতীকী ছবি
এই পরিবর্তনের গুরুত্ব শুধু নির্মাণকাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রমজান মাসে মসজিদে নববীতে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। তাই ইবাদতের উপযুক্ত স্থান নিশ্চিত করা, মানুষের যাতায়াত সুশৃঙ্খল রাখা এবং উপলব্ধ সুযোগ-সুবিধার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা মসজিদ প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে উঠলে এই সমস্ত প্রস্তুতি আরও সহজে এবং নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হতে পারে।
ইতেকাফ কী এবং ইসলামে এর গুরুত্ব কেন?
ইতেকাফ ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এই প্রথায় একজন মুসলিম আল্লাহর উপাসনার উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মসজিদে অবস্থান করেন। এই সময় তিনি নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন পাঠ, জিকির, দোয়া এবং আত্মচিন্তায় বেশি সময় অতিবাহিত করেন। দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা ও সাংসারিক কাজকর্ম থেকে কিছুটা দূরে সরে গিয়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করাই ইতেকাফের অন্যতম উদ্দেশ্য।
বিশেষ করে রমজান মাসের শেষ দশ দিনে ইতেকাফ পালনের বিশেষ ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, বিশ্বনবী হজরত মহম্মদ (সা.) এই দিনগুলিতে ইতেকাফ পালন করতেন। তাই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিমরা রমজানের শেষ দশ দিনে এই পবিত্র সুন্নত পালনের চেষ্টা করেন।
মক্কার মসজিদুল হারাম এবং মদিনার মসজিদে নববীতে ইতেকাফ পালন করা বহু মুসলিমের বিশেষ ধর্মীয় আকাঙ্ক্ষা। মসজিদে নববীতে ইতেকাফ পালনকারীদের জন্য উন্নত সুযোগ-সুবিধা গড়ে উঠলে তাঁরা আরও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ইবাদত করার সুযোগ পাবেন। তবে এই ব্যবস্থার প্রকৃত সুফল নির্ভর করবে নির্মাণের নকশা, উপলব্ধ স্থান এবং প্রশাসনের নির্ধারিত নিয়মের উপর।
প্রতি বছর তাঁবু স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা কমবে
অস্থায়ী তাঁবুর ব্যবস্থা করতে প্রতি বছর বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি নিতে হয়। এর মধ্যে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন, তাঁবু স্থাপন, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা এবং রমজানের বিশেষ সময় শেষ হওয়ার পর সেগুলি সরিয়ে ফেলার কাজ অন্তর্ভুক্ত। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট সময়, শ্রম এবং বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়।
স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে এই পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের পরিমাণ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে মসজিদ প্রশাসন প্রতি বছর নতুন করে সমস্ত ব্যবস্থা শুরু করার পরিবর্তে আগে থেকে নির্ধারিত স্থান ও পরিকাঠামো ব্যবহার করতে পারবে। পাশাপাশি রমজান আসার আগে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা এবং ধর্মপ্রাণ মানুষের অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার দিকে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।
প্রতীকী ছবি
এদিকে, মসজিদে নববীর নির্মাণকাজের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে প্রকাশিত কয়েকটি ছবিতে নির্মাণস্থলের চারপাশে সাদা রঙের নিরাপত্তা বেড়া দেখা গিয়েছে বলে জানা গেছে। এই বেড়াগুলিতে নির্মাণকাজ চলার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো বার্তা রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
নির্মাণস্থলে ক্রেন এবং অন্যান্য নির্মাণ সরঞ্জামের উপস্থিতিও কাজ চলার ইঙ্গিত দেয়। তবে শুধুমাত্র এই ছবিগুলির ভিত্তিতে প্রকল্পটির মোট ব্যয়, নির্মাণ শেষ হওয়ার নির্দিষ্ট সময় কিংবা কতগুলি স্থায়ী পরিকাঠামো তৈরি করা হবে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়।
রমজানে বাড়তে থাকা ভিড়ের কথা মাথায় রেখে বিশেষ প্রস্তুতি
পবিত্র রমজান মাসে সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসলিমদের সমাগম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে এই মাসে ওমরাহ পালন করতে বিপুলসংখ্যক মানুষ মক্কায় উপস্থিত হন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই মক্কায় ওমরাহ পালনের পাশাপাশি মদিনার মসজিদে নববীতে গিয়ে নামাজ ও অন্যান্য ইবাদতেও অংশ নেন।
রমজানের শেষ কয়েকটি দিনে এই সমাগম আরও বেড়ে যাওয়ায় মসজিদগুলিতে ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে ওঠে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের রমজান মাসে ওমরাহ পালনকারীদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বিপুল পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়েছিল। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি সংগ্রহের সময়সীমা এবং গণনার পদ্ধতি আলাদা হতে পারে। তাই বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশিত সংখ্যা তুলনা করার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।
তবে রমজান যে সৌদি আরবে ধর্মীয় যাত্রার অন্যতম ব্যস্ত সময়, তা স্পষ্ট। এমন পরিস্থিতিতে মসজিদগুলির পরিকাঠামো এবং সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন হলে ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য আরও সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি হতে পারে। মসজিদে নববীতে ইতেকাফের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগকেও এই বৃহত্তর প্রয়োজনের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য শুধু স্থান নির্ধারণ করা নয়, বরং আগাম প্রস্তুতি সহজ করা এবং ইবাদতের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলির সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করাও।
রমজানে ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি
প্রতি বছর রমজান মাসে ওমরাহ পালন করতে মক্কায় যাওয়া মুসলিমদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়। একইভাবে মদিনায় আসা ধর্মপ্রাণ মানুষও মসজিদে নববীতে নামাজ আদায় এবং অন্যান্য ইবাদতে সময় অতিবাহিত করেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ওমরাহ মক্কায় পালন করা হয়। অন্যদিকে, মদিনায় অবস্থিত মসজিদে নববী জিয়ারত করার নিজস্ব ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে।
প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের রমজানে ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যা কোটির ঘরে ছিল। ২০২৫ সালের রমজানে প্রায় ১ কোটি ৬৫ লক্ষ ওমরাহ যাত্রার তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল। অন্যদিকে, ২০২৬ সালের রমজানের প্রথম ২০ দিনে প্রায় ১ কোটি ৫৬ লক্ষ থেকে ১ কোটি ৬৫ লক্ষ মানুষ ওমরাহ পালন করেছেন বলেও তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল।
তবে এই পরিসংখ্যানগুলি বিশ্লেষণ করার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন। ওমরাহ যাত্রার সংখ্যা, পৃথক যাত্রীর সংখ্যা এবং মসজিদে উপস্থিত মোট মানুষের সংখ্যা এক ধরনের পরিসংখ্যান নয়। তাই এই তথ্যগুলিকে একই শ্রেণির হিসাব হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। তা সত্ত্বেও এই বিপুল সংখ্যাই রমজান মাসে মক্কা ও মদিনায় ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য উন্নত সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করে দেয়।
প্রতীকী ছবি
২০২৭ সালের রমজানে কী আশা করা যায়?
২০২৭ সালের রমজান শুরু হওয়ার আগে মসজিদে নববীতে ইতেকাফের জন্য স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে এবং কর্তৃপক্ষ ব্যবহারের অনুমতি দিলে ইতেকাফ পালনকারীরা নতুন ব্যবস্থার সুফল পেতে পারেন। তবে এর জন্য নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি সরকারি নিয়ম, নাম নথিভুক্ত করার পদ্ধতি এবং প্রবেশের অনুমতি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করাও জরুরি।
ইতেকাফের জন্য কতটা জায়গা উপলব্ধ থাকবে, কতজনকে অনুমতি দেওয়া হবে এবং মসজিদে অবস্থানের ক্ষেত্রে কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে, সেই সমস্ত বিষয় সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্ধারিত হতে পারে। তাই ২০২৭ সালের রমজানে ওমরাহ কিংবা ইতেকাফ পালনের পরিকল্পনা করা মুসলিমদের যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরকারি ঘোষণা ও নির্দেশিকা জেনে নেওয়া উচিত।
শুধুমাত্র স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণের খবর প্রকাশিত হওয়ার ভিত্তিতে প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ মানুষ মসজিদে নববীতে ইতেকাফ পালনের অনুমতি পাবেন বলে ধরে নেওয়া যায় না। মদিনার মসজিদে নববীতে গৃহীত এই উদ্যোগ ধর্মীয় উপাসনা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে সম্পর্ককেও বিশেষভাবে তুলে ধরেছে।
লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষের সমাগম হওয়া একটি পবিত্র স্থানে উন্নত সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলা সহজ কাজ নয়। এর জন্য নির্মাণকাজ, নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী স্থায়ী পরিকাঠামোগুলি সময়মতো সম্পূর্ণ হলে আগামী রমজানে ইতেকাফের প্রস্তুতি আগের তুলনায় আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল হতে পারে।
অস্থায়ী তাঁবুর উপর নির্ভরতা কমলে প্রতি বছর অতিরিক্ত কাজের পরিমাণও হ্রাস পাবে। পাশাপাশি ইতেকাফ পালনকারীদের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলি আরও সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে প্রস্তুত করার সুযোগ পাবে মসজিদ প্রশাসন।
২০২৭ সালের রমজানের জন্য মসজিদে নববীতে গৃহীত এই উদ্যোগের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ, এর সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে রয়েছে রমজানের শেষ দশ দিনে আল্লাহর উপাসনায় নিজেকে নিয়োজিত করতে ইচ্ছুক অসংখ্য মুসলিমের ধর্মীয় আশা-আকাঙ্ক্ষা।
তবে স্থায়ী পরিকাঠামো থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ কতটা সুফল পাবেন, তা নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হওয়া এবং সরকারি নিয়মাবলি প্রকাশিত হওয়ার পরেই স্পষ্ট হবে। আপাতত অস্থায়ী তাঁবুর পরিবর্তে স্থায়ী পরিকাঠামো গড়ে তোলার এই প্রস্তুতিকে মদিনায় আগামী পবিত্র রমজানের আয়োজনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।