হুগলি নদীর ঘাটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মুখ্যমন্ত্রীর, ‘নমামি গঙ্গে’ বাস্তবায়নে জোর

Story by  PTI | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 1 d ago
হুগলি নদীর ঘাটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মুখ্যমন্ত্রীর, ‘নমামি গঙ্গে’ বাস্তবায়নে জোর
হুগলি নদীর ঘাটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মুখ্যমন্ত্রীর, ‘নমামি গঙ্গে’ বাস্তবায়নে জোর

কলকাতা:

 হুগলি নদীকে দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে উত্তর কলকাতার বাগবাজার এলাকার একটি ঘাটে বুধবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ সময় তিনি কেন্দ্রের ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ঐতিহাসিক ‘মায়ের ঘাট’-এ অবস্থিত মন্দিরে পুজো দেওয়ার মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর নিজ হাতে ঝাড়ু নিয়ে ঘাট পরিষ্কার করেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, বিজেপি নেতা তাপস রায় এবং কলকাতা পুরসভার (কেএমসি) একাধিক শীর্ষ আধিকারিক।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,“পরিচ্ছন্নতা, উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি আমাদের সরকারের অগ্রাধিকার। ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের কাজ অতীতে সঠিকভাবে হয়নি। আমরা তা নিশ্চিত করব। গঙ্গাকে পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

‘নমামি গঙ্গে’ হল গঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ ও পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের একটি সমন্বিত প্রকল্প। হুগলি নদী গঙ্গারই একটি প্রধান শাখা।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কলকাতা সফরে আসবেন। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুরসভা প্রধানমন্ত্রীর জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনার ব্যবস্থা করবে।

কয়েক দিন আগে নাগরিক অংশগ্রহণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’ চালু করেছে কলকাতা পুরসভা। পুরসভার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শহরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রায় ২০ হাজার পুরকর্মী অংশ নেবেন।

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে কলকাতা পুরসভা ইতোমধ্যে একাধিক জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি এবং শারীরিক সুস্থতা প্রচারের লক্ষ্যে ম্যারাথন আয়োজন।

প্রশাসনের আশা, এই উদ্যোগ শুধু শহরের পরিচ্ছন্নতা বাড়াবে না, নাগরিকদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তাও পৌঁছে দেবে।


শেহতীয়া খবৰ