কর্ণাটকের চার রাজ্যসভা আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়, কংগ্রেসের ঝুলিতে তিনটি আসন

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 11 h ago
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি
 
বেঙ্গালুরু: 

কর্ণাটকের চারটি রাজ্যসভা আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, এআইসিসির মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান পবন খেরা, এআইসিসি সম্পাদক মনসুর আলি খান এবং বিজেপি প্রার্থী এম নাগরাজা। নির্ধারিত ১৮ জুন ভোটগ্রহণের আগেই নির্বাচন প্রক্রিয়ার ইতি টানল নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন প্রস্তাবকের স্বাক্ষর সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে খারিজ হয়ে যায়। ফলে চারটি আসনের জন্য চারজন বৈধ প্রার্থীই অবশিষ্ট থাকায় তাঁদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। পরে বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী শংসাপত্রও তুলে দেওয়া হয়।

এই ফলাফলের ফলে চলতি পর্যায়ে কর্ণাটকের চারটি রাজ্যসভা আসনের মধ্যে তিনটি কংগ্রেস এবং একটি বিজেপির দখলে গেল। মল্লিকার্জুন খাড়গের পুনর্নির্বাচন নিশ্চিত করল সংসদের উচ্চকক্ষে তাঁর উপস্থিতি। অন্যদিকে, পবন খেরা ও মনসুর আলি খানের জন্য এটি রাজ্যসভায় প্রথম ইনিংস। বিজেপির এম নাগরাজাও দলের হয়ে উচ্চকক্ষে কর্ণাটকের প্রতিনিধিত্ব বজায় রাখবেন।

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার নবনির্বাচিত সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাঁরা সংসদে কর্ণাটকের স্বার্থ ও রাজ্যের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার পক্ষে সোচ্চার হবেন বলে তাঁর বিশ্বাস। পবন খেরা তাঁর নির্বাচিত হওয়াকে "গর্বের বিষয়" বলে উল্লেখ করে কর্ণাটকের মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে কন্নড় ভাষা শেখার অঙ্গীকার করেন। মনসুর আলি খান জানান, তিনি কর্ণাটকের পাশাপাশি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিও রাজ্যসভায় তুলে ধরবেন। বিজেপির এম নাগরাজা দলীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাজ্যের উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ইরান্না কাদাদি, নারায়ণ কোরাগাপ্পা, মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং এইচ ডি দেবেগৌড়ার শূন্য হওয়া আসনগুলিতে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোটের প্রয়োজন না পড়ায় নির্ধারিত ১৮ জুনের নির্বাচন বাতিল করে চার প্রার্থীকে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল কর্ণাটকে কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তির প্রতিফলন। একই সঙ্গে বিজেপিও একটি আসন ধরে রেখে রাজ্যে নিজেদের রাজনৈতিক উপস্থিতি অটুট রাখার বার্তা দিল। সংসদের উচ্চকক্ষে কর্ণাটকের প্রতিনিধিত্বের নতুন সমীকরণ আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।


শেহতীয়া খবৰ