কলকাতাঃ
নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া আরও পাঁচটি মামলায় গ্রেফতারি বা অন্য কোনও জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপ থেকে সুরক্ষা চেয়ে করা আবেদন মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর শুনবে কলকাতা হাইকোর্ট।
মিলন প্রধান বর্তমানে আরও পাঁচটি মামলায় বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। তাঁর আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ওই পাঁচ মামলার ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে হাইকোর্টে কোনও আবেদন করা হয়নি।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য অতিরিক্ত পাঁচটি মামলায় জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপ থেকে সুরক্ষা চেয়ে আবেদন দাখিলের অনুমতি দিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই আবেদনই শুনবে আদালত।
মিলনের আইনজীবীর দাবি, ১৮ সেপ্টেম্বর একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আরও চারটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়। নির্বাচন কমিশনের কাছে দেওয়া হলফনামায় ওই পাঁচটি মামলার উল্লেখ ছিল বলেও জানান তিনি।
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন এবং ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন। এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া আদালত ১৯ বছর আগের একাধিক মামলায় মিলনকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। ফলে উপনির্বাচনে তাঁর প্রচারে অংশ নেওয়ার সুযোগ আপাতত বন্ধ রয়েছে।
পুলিশের দাবি, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া একাধিক জামিন-অযোগ্য মামলায় চারটি গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে মিলনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলাগুলিতে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, প্রমাণ নষ্ট, বেআইনি অনুপ্রবেশ এবং অস্ত্রসহ দাঙ্গার মতো অভিযোগ রয়েছে।
নন্দীগ্রাম আসনটি খালি হয় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই আসনেই জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেওয়ায়। আগামী ৬ অক্টোবর এই আসনে উপনির্বাচন হবে এবং ভোটগণনা ৯ অক্টোবর।