গুয়াহাটি
শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অসম সরকারের পক্ষ থেকে ‘স্টেট টিচার্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’-এর জন্য ১৫ জন শিক্ষককে নির্বাচিত করা হয়েছে। রাজ্য স্তরের নির্বাচন কমিটির সুপারিশ এবং সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করেছে অসমের মাধ্যমিক শিক্ষার পরিচালকের দফতর।
প্রকাশিত তালিকায় মাধ্যমিক ও প্রাথমিক, দুই স্তরের শিক্ষকই রয়েছেন। নির্বাচিতদের মধ্যে ৫ জন প্রধান শিক্ষক/প্রধান শিক্ষিকা, ৭ জন সহকারী শিক্ষক এবং ৩ জন স্নাতকোত্তর শিক্ষক রয়েছেন।
তালিকায় রয়েছেন:
যোরহাট: শ্যামালিমা বরা—প্রধান শিক্ষিকা, মালৌ আলি হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল
কামরূপ মেট্রো: বিজন রায় ভৌমিক—সহকারী শিক্ষক, কামাখ্যা বিদ্যাপীঠ হাই স্কুল
নলবাড়ি: মানব ভরালি—স্নাতকোত্তর শিক্ষক, গভর্নমেন্ট গার্ডন এইচ.এস. স্কুল
ডিব্রুগড়: রিজু কুমার চুতিয়া—স্নাতকোত্তর শিক্ষক, পি.এম. শ্রী রাহমারিয়া হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল
সোনিতপুর: প্রবীণ কোচ—স্নাতকোত্তর শিক্ষক, তেজপুর গভর্নমেন্ট এইচ.এস. স্কুল
বরপেটা: রণেন্দ্র কুমার দাস—প্রধান শিক্ষক, পি.এম. শ্রী ভেল্লা এইচ.এস. স্কুল
ধুবড়ি: আজিজুর রহমান—স্নাতকোত্তর শিক্ষক, পি.এম. শ্রী জামাদারহাট জনতা এইচ.এস. স্কুল
নগাঁও: মানিক চন্দ্র নাথ—সহকারী শিক্ষক, বারাপুজিয়া হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল
কোকরাঝাড়: বিবি প্রসাদ ব্রহ্ম—সহকারী শিক্ষক, হরিনাগুরি হাই স্কুল
গোলাঘাট: পুলাস্কা রাজখোয়া—প্রধান শিক্ষক, চৌকিয়াল এল.পি. স্কুল
হোজাই: সারঙ্গা নির্মালিয়া—প্রধান শিক্ষক, হাতিখাল অসমীয়া এল.পি. স্কুল, লামডিং
ডিব্রুগড়: দিতি মণি দত্ত—সহকারী শিক্ষক, ফটিকাচোৱা অভয়পুরিয়া এম.ভি.এস.
দরং: বেফুলা ডেকা শইকীয়া—সহকারী শিক্ষক, ১৮২ নম্বর গোবিন্দ ধাম এল.পি.এস.
কাছাড়: স্বস্ত্যয়ন দেব—সহকারী শিক্ষক, ৫৭ নম্বর টিকাল পার টি.ই. এল.পি.এস.
কার্বি আংলং: কামসিং হাসে—প্রধান শিক্ষক, বাকালিয়া ঘাট গভর্নমেন্ট এম.ভি. স্কুল
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, হোজাই জেলার লামডিংয়ের হাতিখাল অসমীয়া এল.পি. স্কুলের প্রধান শিক্ষক সারঙ্গা নির্মালিয়াও এই সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচিত সকল শিক্ষককে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ৯টায় গুয়াহাটির পাঞ্জাবাড়ির শ্রী শ্রী দামোদরদেৱ আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাগৃহ, শ্রীমন্ত শংকরদেৱ কলাক্ষেত্রে উপস্থিত হয়ে পুরস্কার গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে রাজ্য সরকারের এই স্বীকৃতি অসমের শিক্ষক সমাজের জন্য নিঃসন্দেহে এক গৌরবের মুহূর্ত।