আন্তর্জাতিক পরীক্ষায় ফুল মার্কস, ‘গ্লোবাল টপার’ কলকাতার রোশনী; বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল বাংলার কৃতী

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 15 h ago
আন্তর্জাতিক পরীক্ষায় ফুল মার্কস, ‘গ্লোবাল টপার’ কলকাতার রোশনী; বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল বাংলার কৃতী
আন্তর্জাতিক পরীক্ষায় ফুল মার্কস, ‘গ্লোবাল টপার’ কলকাতার রোশনী; বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল বাংলার কৃতী
 
কলকাতা:

 আন্তর্জাতিক শিক্ষার মঞ্চে ফের উজ্জ্বল হল বাংলার নাম। কলকাতার হেরিটেজ স্কুলের ছাত্রী রোশনী হামিরওয়াসি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালোরেট ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম (IBDP) পরীক্ষায় ৪৫-এর মধ্যে পূর্ণ ৪৫ নম্বর পেয়ে গ্লোবাল টপার হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। বিশ্বের অন্যতম কঠিন প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় কোর্সে এই ফলাফল তাঁকে আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।

আইবিডিপি বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়। এই কোর্সে পূর্ণ নম্বর অর্জন অত্যন্ত বিরল ঘটনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষায় ভালো ফল করলেই হয় না; গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ (Extended Essay), Theory of Knowledge (TOK) এবং Creativity, Activity, Service (CAS)-এর মতো বিভিন্ন মূল্যায়নেও অসাধারণ দক্ষতা দেখাতে হয়।

রোশনীর এই সাফল্যের সুবাদে তিনি বিশ্বের একাধিক শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়েই বিশেষ একাডেমিক সুযোগ এবং ভবিষ্যতে দ্রুত উচ্চশিক্ষার পথ উন্মুক্ত করার সম্ভাবনা তৈরি করেছেন। আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, আইবিডিপিতে এমন ফল উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে বড় সুবিধা এনে দেয়।

শুধু রোশনী নন, হেরিটেজ স্কুলের আরও দুই পড়ুয়াও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন। রুশিল চারি পেয়েছেন ৪৪ এবং ভাব্য শরাফ পেয়েছেন ৪১ নম্বর। এবারের পরীক্ষায় স্কুলটির গড় নম্বর ৩৫, যা বৈশ্বিক মানদণ্ডে অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ব্যাচের সাফল্য হেরিটেজ পরিবারের কাছে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এই কৃতিত্ব সম্ভব হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেছে।

শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, রোশনীর এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষায় বাংলার শিক্ষার্থীদের সক্ষমতারও প্রমাণ। আগামী দিনে আরও বেশি সংখ্যক ভারতীয় ও বাংলার পড়ুয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার মঞ্চে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে এই সাফল্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।