উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন রবিবার বলেছেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির কাজ শুধু শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা নয়, বরং সমাজ ও গণতন্ত্রে অর্থবহ অবদান রাখার মতো নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
গুয়াহাটির গীতানগর কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাধাকৃষ্ণন দেশ গঠন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
উপরাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর অসমে তাঁর প্রথম সফরে তিনি বলেন, উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। তাই জাতি গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।তিনি বলেন, “উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত নাগরিকদের গণতন্ত্র ও দেশের জন্য প্রস্তুত করা, শুধু কর্মজীবনের জন্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য তাদের শিক্ষার্থীদের সাফল্যের মধ্যেই প্রতিফলিত হয়। মানসম্পন্ন শিক্ষাদান শিক্ষার্থীদের উৎকর্ষ নিশ্চিত করতে পারে, আর পরিকাঠামো শুধু সুযোগ-সুবিধা তৈরি করতে পারে।”
রাধাকৃষ্ণন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উন্নত ভারতের ভাবনায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদেরও মাদক ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে উৎসাহিত করেন।
এছাড়াও তিনি শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার সীমিত রাখার পরামর্শ দেন।