১০৫ বছরের ইতিহাসে নজির! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রথম মহিলা সহ-সভাপতি নাশরা নাঈম

Story by  atv | Posted by  Aparna Das • 11 h ago
১০৫ বছরের ইতিহাসে নজির! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রথম মহিলা সহ-সভাপতি নাশরা নাঈম
১০৫ বছরের ইতিহাসে নজির! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের প্রথম মহিলা সহ-সভাপতি নাশরা নাঈম
 
আওয়াজ-দ্য ভয়েস, বাংলা

ভারতের ঐতিহ্যবাহী আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএমইউ) ছাত্র সংসদের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করলেন নাশরা নাঈম। ১০৫ বছরের দীর্ঘ ইতিহাসে প্রথম মহিলা সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়ে নজির গড়লেন তিনি। তাঁর এই জয় শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব ও প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
 
দীর্ঘ আট বছর বিরতির পর অনুষ্ঠিত আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের নির্বাচনের ফল শুক্রবার প্রকাশিত হয়। সেই নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে ৭ হাজার ৯১টি ভোট পেয়ে জয়ী হন নাশরা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পান ৫ হাজার ৮১৮টি ভোট। অর্থাৎ ১ হাজার ২৭৩ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
 
এবারের নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের সাফল্যও বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। মোট ১৩টি পদের মধ্যে ছয়টিতে জয় পেয়েছেন মহিলা প্রার্থীরা। পাশাপাশি ছাত্র সংসদের ১০টি ক্যাবিনেট সদস্য পদের পাঁচটিতেও জয়ী হয়েছেন মহিলারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে নারী প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে এই ফলাফলকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
 
ছাত্র সংসদের সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন মোহাম্মদ নোমান আশরাফ। অন্যদিকে সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হামদান।
 
উল্লেখযোগ্য বিষয়, দীর্ঘ আট বছর ছাত্র সংসদের নির্বাচন না হওয়ায় গত তিন বছর ধরে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন পড়ুয়ারা। অবশেষে সেই আন্দোলনের পর নির্বাচনের আয়োজন করা হয়। এবারের প্রচারে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যা ছাড়াও বৃহত্তর জাতীয় ও সামাজিক বিষয়গুলি গুরুত্ব পেয়েছে।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নাঈমা খাতুন শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়াকে প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের জয় বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে ছাত্র সংসদে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধিকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি।
 
১০৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম মহিলা সহ-সভাপতি হিসেবে নাশরা নাঈমের এই সাফল্য দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী নেতৃত্বের নতুন সম্ভাবনার বার্তা বহন করছে।


শেহতীয়া খবৰ