ভবিষ্যতে নিয়োগ পাওয়া সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না, শীঘ্রই বিধি আনছে রাজ্য

Story by  PTI | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 3 h ago
ভবিষ্যতে নিয়োগ পাওয়া সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না, শীঘ্রই বিধি আনছে রাজ্য
ভবিষ্যতে নিয়োগ পাওয়া সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না, শীঘ্রই বিধি আনছে রাজ্য

কলকাতা:

ভবিষ্যতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) মাধ্যমে নিযুক্ত সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতিতে অংশ নিতে বা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। এই বিধিনিষেধ কার্যকর করতে শীঘ্রই প্রয়োজনীয় নিয়মাবলি তৈরি করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন।

মন্ত্রী জানান, বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ কার্যকর হবে না। অর্থাৎ, যাঁরা ইতিমধ্যেই শিক্ষকতার কাজে নিযুক্ত রয়েছেন, তাঁরা আগের মতোই থাকবেন। এমনকি পঞ্চায়েত বা পুরসভার নির্বাচিত পদে থাকা শিক্ষকরাও এই সিদ্ধান্তের আওতায় পড়বেন না।

দীপক বর্মনের কথায়, ভবিষ্যতে এসএসসি পরীক্ষার মাধ্যমে যাঁরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার নিয়ম কার্যকর হবে। বিহার ও উত্তরপ্রদেশ-সহ কয়েকটি রাজ্যে ইতিমধ্যেই এ ধরনের বিধিনিষেধ চালু রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, ভবিষ্যতে নিযুক্ত শিক্ষকরা পঞ্চায়েত, পুরসভা, বিধানসভা কিংবা লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। পাশাপাশি সরাসরি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও অংশ নিতে পারবেন না তাঁরা। তবে বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে না বলে স্পষ্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্যে বিজেপির কোনও শিক্ষক সেল গঠন করা হবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে।

এ দিন পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের ভবনে আয়োজিত এক বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। বৈঠকে রাজ্যের ২১টি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান এবং প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনিক, পরিকাঠামোগত ও শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।

এদিকে, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকদের কাজের মূল্যায়নের জন্য একটি জবাবদিহি ব্যবস্থা চালুর কথাও ভাবছে রাজ্য সরকার। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি ও ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষকদের কাজের মূল্যায়ন করা হতে পারে। সেই মূল্যায়নের সঙ্গে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি ও পদোন্নতির বিষয়টিও যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।



শেহতীয়া খবৰ