বাজি হেরে মাথা হল ‘ন্যাড়া’, আলকাতরা না মাখলেও যুবকের বেজায় খারাপ পরিনতি! কেউ বললেন, এমন কথা বলিস কেন?

Story by  Tarun Nandi | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 1 d ago
বাজি হেরে মাথা হল ‘ন্যাড়া’, আলকাতরা না মাখলেও যুবকের বেজায় খারাপ পরিনতি! কেউ বললেন, এমন কথা বলিস কেন?
বাজি হেরে মাথা হল ‘ন্যাড়া’, আলকাতরা না মাখলেও যুবকের বেজায় খারাপ পরিনতি! কেউ বললেন, এমন কথা বলিস কেন?
 
তরুণ নন্দী,কলকাতাঃ

ভোটের আগে হিঙ্গলগঞ্জের এক যুবক বলে ছিলেন, রেখা পাত্র জিতলে মাথা ন্যাড়া করব, আলকাতরা মেখে দুমাস ঘুরব। জেদ নিয়ে বলে দেওয়া এই এক লাইনের চ্যালেঞ্জই এখন বাংলার রাজনীতিতে সবচেয়ে ভাইরাল কাণ্ড হয়ে গেল। স্থানীয়দের দাবি, ভোটের হাওয়া না বুঝে অতি-উৎসাহে রেখা পাত্রকে নিয়ে বাজি ধরে ফেলেছিলেন বসিরহাট মহকুমার হিঙ্গলগঞ্জের যুবক সিদ্ধার্থ মন্ডল। কথা না মেলায় ফ্যাসাদে পড়েন এই যুবক।  বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোতেই দেখা গেল উলটপুরাণ হয়ে গেছে। রেখা পাত্র তো জিতলই সঙ্গে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন করে ফেলেছে। আর তাতেই রাতারাতি কপাল পুড়ল সেই যুবকের। রাজনীতির ময়দানে বাঘা বাঘা নেতারা কথা খেলাপ করলেও, এই যুবক কিন্তু দেওয়া কথা রেখেছেন। বাজি হেরেও কাপুরুষের মতো পালিয়ে যাননি তিনি।
হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের সাহেবখালি অঞ্চলের ১৮৬ নম্বর বুথের বাসিন্দা সিদ্ধার্থ মণ্ডল প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে ফেঁসে গিয়ে নিজেই নাপিত ডেকে মাথা ন্যাড়া করলেন। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও কথা রাখতে সবার সামনে হাসিমুখে বসে পড়লেন সিদ্ধার্থ।
 
ঘ্যাচঘ্যাচ করে কাঁচি চলল, খুরের টানে সাফ হয়ে গেল চুলের জঙ্গল। চোখের সামনে তাঁর চকচকে ‘ন্যাড়া’ মাথাটা বেরিয়ে আসতেই চারপাশের ভিড়ে হাসির রোল পড়ে যায়। ক্যামেরাবন্দি সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড হতেই ভাইরাল হয়ে যায় ঘটনাটা। নেটিজেনদের একাংশ সিদ্ধার্থের এই হিম্মত দেখে টিপ্পনি কেটে বলছেন, ভোট নিয়ে কাণ্ডজ্ঞান নেই অথচ মুখ চললে এমনই ল্যাজে-গোবরে দশা হয়। ঘটনার কথা শুনে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বলল, কথা রাখাটা ভালো গুণ। ভালো কাজ করেছে ওই যুবক। 
 
 
রেখা পাত্রের জয়
 
 
আলকাতরা মাখার বাকি পর্বটুকু নিয়ে স্থানীয় মহলে তুমুল চর্চা বজায় থাকলেও, সিদ্ধার্থের এই ‘ন্যাড়া মাথার’ ভিডিও এক নম্বর সুপারহিট কন্টেন্ট এখন নেটদুনিয়ায়। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলেও জোর গুঞ্জন তুলেছে। নেটিজেনদের মধ্যে কেউ কেউ বললেন, ভোট আসবে-যাবে, কিন্তু আবেগের বশে এমন ‘চুল-চেরা’ বাজি ধরার আগে একশোবার ভাবা উচিত সকলের।


শেহতীয়া খবৰ