রংপুরে গণপতি পরিবারের চারজনকে হত্যা: ছয়জনের সম্পৃক্ততার সন্দেহ, পুলিশের বয়ান নিয়েও প্রশ্ন

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 21 h ago
রংপুরে গণপতি পরিবারের চারজনকে হত্যা: ছয়জনের সম্পৃক্ততার সন্দেহ, পুলিশের বয়ান নিয়েও প্রশ্ন
রংপুরে গণপতি পরিবারের চারজনকে হত্যা: ছয়জনের সম্পৃক্ততার সন্দেহ, পুলিশের বয়ান নিয়েও প্রশ্ন

রংপুর:

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছরের ছেলেকে হত্যার ঘটনায় তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, হত্যাকাণ্ডে অন্তত ছয়জন জড়িত থাকতে পারে। তাঁদের মধ্যে একজন নিহত পরিবারের পরিচিত ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁর সহযোগিতায় অন্যরা বাড়িতে প্রবেশ করে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা তদন্তকারীদের।

এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস নামে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি ছিল, হত্যার আগে ও পরে তাঁরা ইয়াবা সেবন করেছিলেন। তবে আদালতের নির্দেশে কয়েক দিন পর করা ডোপ টেস্টে তাঁদের শরীরে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। যদিও চিকিৎসকদের মতে, নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলে মাদক পরীক্ষায় ধরা নাও পড়তে পারে।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের মধ্যে প্রায় ৮০ বার ফোনে যোগাযোগ হয়েছিল। তবে শুধু ফোনালাপের সংখ্যা দিয়ে হত্যাকাণ্ডে তাঁদের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয় না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কলের বিষয়বস্তু, অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য, জবানবন্দি ও ঘটনাস্থলের আলামতের সঙ্গে এসব তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে তদন্তকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে। কয়েকজন ব্যক্তির নাম তদন্তে এসেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে গণপতি পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত—তা নিশ্চিত করতে আরও গভীর তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।