মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে সিবিআই চার্জশিটের অনুমোদন পুনর্বিবেচনায় আরও সময় চেয়ে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ লোকপাল

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 2 Months ago
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি

 

নয়াদিল্লি:

কথিত ‘ক্যাশ-ফর-কোয়েরি’ মামলায় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে সিবিআই চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন আইন অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার জন্য আরও সময় চেয়ে সোমবার দিল্লি হাই কোর্টের কাছে আবেদন করেছে লোকপাল।

বিচারপতি বিবেক চৌধুরী ও রেণু ভাটনাগরের বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, আদালতের আগের নির্দেশ মানতে অতিরিক্ত দুই মাস সময় চেয়ে লোকপালের করা আবেদনটি ২৩ জানুয়ারি উপযুক্ত বেঞ্চের সামনে পেশ করতে।

লোকপালের পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী জানান, চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হবে কি নাএই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আদালত যে সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছিল, তা বাড়ানোর আবেদন করতেই এই আবেদন দাখিল করা হয়েছে।

বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করে জানায়, এই আবেদন কার্যত আগের নির্দেশ সংশোধনের আবেদন হওয়ায়, বিষয়টি সেই বেঞ্চের কাছেই তালিকাভুক্ত হওয়া উচিত, যাঁরা মূল নির্দেশটি দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর দিল্লি হাই কোর্ট লোকপালের নভেম্বরের সেই নির্দেশ বাতিল করে দেয়, যেখানে সিবিআই-কে মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আদালত লোকপাল ও লোকায়ুক্ত আইন-এর ২০ নম্বর ধারার অধীনে বিষয়টি কঠোরভাবে আইন মেনে এক মাসের মধ্যে পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেয়।

সেই রায়ে বিচারপতি অনিল ক্ষেতরপাল ও হরিশ বৈদ্যনাথন শঙ্করের বেঞ্চ মন্তব্য করে যে, আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়া থেকে “স্পষ্ট বিচ্যুতি” ঘটেছে এবং লোকপাল আইনের ব্যাখ্যায় ভুল করেছে।

এই মামলাটি সেই অভিযোগ সংক্রান্ত, যেখানে বলা হয়েছেমহুয়া মৈত্র ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে নগদ অর্থ ও উপহার নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

লোকপালের রেফারেন্সের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন আইনের বিভিন্ন ধারায় ২০২৪ সালের ২১ মার্চ এফআইআর দায়ের করার পর সিবিআই ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তাদের রিপোর্ট লোকপালের কাছে জমা দেয়।

সিবিআইয়ের অভিযোগ, মহুয়া মৈত্র ঘুষ গ্রহণসহ একাধিক দুর্নীতিমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন এবং লোকসভার লগইন তথ্য ভাগ করে নিয়েছিলেন, যা সংসদের বিশেষাধিকার ক্ষুণ্ণ করেছে এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে বলে সংস্থার দাবি।