নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যু: শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানালেন শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর

Story by  atv | Posted by  Aparna Das • 2 d ago
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যু: শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানালেন শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যু: শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানালেন শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর

নয়াদিল্লি

সারা দেশে আলোচিত নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন আধ্যাত্মিক গুরু ও আর্ট অব লিভিং-এর প্রতিষ্ঠাতা শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর। তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ ও দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে শুনতে হবে এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা জরুরি।

এক বিবৃতিতে শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার দায়িত্ব যাদের কাঁধে, সেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে যদি পরীক্ষা নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হয়, তবে তা গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগের বিষয়। তাই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সম্প্রতি নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীরা পরীক্ষা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন।

এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়ম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আদালত ও তদন্ত সংস্থার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ভর্তি পরীক্ষাকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্ক দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে নিষ্পত্তি করা না গেলে শিক্ষার্থীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা কঠিন হতে পারে। ফলে তদন্তের ফলাফল এবং সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট মহলের।



শেহতীয়া খবৰ