সীমান্ত গ্রামের উন্নয়নে মালদায় শুরু ‘আমার গ্রাম, আমার কল্পনা’ উদ্যোগ

Story by  PTI | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 13 h ago
সীমান্ত গ্রামের উন্নয়নে মালদায় শুরু ‘আমার গ্রাম, আমার কল্পনা’ উদ্যোগ
সীমান্ত গ্রামের উন্নয়নে মালদায় শুরু ‘আমার গ্রাম, আমার কল্পনা’ উদ্যোগ
 
কলকাতা: 

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির উন্নয়নে বাসিন্দাদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলা প্রশাসন ‘আমার গ্রাম, আমার কল্পনা’ নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ শুরু করেছে। কেন্দ্র সরকারের ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম (Vibrant Village Programme-VVP)’-এর আওতায় এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের উন্নয়ন সংক্রান্ত মতামত ও চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রামভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা। এর মাধ্যমে গ্রামগুলিতে প্রাথমিক পরিষেবা সম্প্রসারণ, পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং জীবিকা নির্বাহের সুযোগ বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মালদার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আদমপুরে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে গ্রামের বাসিন্দারা সরাসরি জেলা শাসক রাজনবীর সিং কাপুর এবং স্থানীয় বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহার কাছে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, চাহিদা এবং উন্নয়নের প্রস্তাব তুলে ধরেন।জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ১২ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সীমান্তবর্তী ২৯টি গ্রামে এই ধরনের কর্মসূচি চলছে। প্রতিটি গ্রামের মানুষের মতামত সংগ্রহ করে প্রয়োজনভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করা হবে।

বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা বলেন, "গ্রামের মানুষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করলে উন্নয়ন প্রকল্পগুলি বাস্তব প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্যকে একসূত্রে বেঁধেছে।"জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুরের কথায়, "জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কার্যকর পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।"

জেলা প্রশাসনের দাবি, ‘আমার গ্রাম, আমার কল্পনা’ উদ্যোগের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে দেশের শেষ প্রান্ত নয়, বরং ‘ভারতের প্রথম গ্রাম’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে কেন্দ্রের ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সীমান্ত অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন, পরিকাঠামো বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


শেহতীয়া খবৰ