SIR -এর নামে নাম ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে পথে নামল হিন্দু-মুসলিমরা! সরব ভোটাধিকার সুরক্ষা সমন্বয় সমিতি

Story by  Tarun Nandi | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 5 h ago
SIR -এর নামে নাম ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে পথে নামল হিন্দু-মুসলিমরা! সরব ভোটাধিকার সুরক্ষা সমন্বয় সমিতি
SIR -এর নামে নাম ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে পথে নামল হিন্দু-মুসলিমরা! সরব ভোটাধিকার সুরক্ষা সমন্বয় সমিতি
 
তরুণ নন্দী, কলকাতাঃ 

ভোটার তালিকা সংশোধন ও SIR প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে বাংলায় লাখ লাখ বৈধ ভোটারের নাম বাতিলের বিরুদ্ধে পথে নামল ভোটাধিকার সুরক্ষা সমন্বয় সমিতি। এই সংগঠনের ইসলামপুর মহকুমা কমিটির ডাকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার হিন্দু-মুসলিম একজোট হয়ে রাজপথে নেমে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সরব হয়েছেন।

সংগঠনের প্রতিনিধিরা ইসলামপুর মহকুমা শাসকের দফতরে জমা দিয়েছেন পাঁচ দফা স্মারকলিপি। এই স্মারকলিপিতে অভিযোগ তোলা হয়েছে, শুধুমাত্র নামের বানান ভুল, পরিবারের সদস্যসংখ্যার অসামঞ্জস্য বা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির মতো সাধারণ অজুহাতে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ ভোটারের নাম। এদিন জমায়েত হয়ে বহু মুসলিম মহিলা জানালেন, তাঁরা বহু প্রজন্ম ধরে এদেশের বসবাসকারী নাগরিক। এসআইআরে প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পরও ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম কাটা গিয়েছে।  ট্রাইব্যুনালে অ্যাপিল করেও অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, অনলাইন শুনানির টেকনিক্যাল জটিলতা ও ভাষাগত সমস্যার কারণে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তারা  নাগরিক অধিকার নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন তুলে ধরলেন প্রশাসনের দিকে।

এদিনের এই কর্মসূচির সবচেয়ে নজরকাড়া দিক ছিল সংখ্যালঘু পুরুষ ও মহিলাদের বিপুল উপস্থিতি। দেখা গেল, ভোটার তালিকায় নাম তোলার তাগিদের পাশাপাশি নিজেদের অস্তিত্ব ও ভোটাধিকার সুরক্ষিত করতে মুসলিম মহিলারা মিছিলে সামনের সারিতে এসে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা দাবি তুলে বলেন, অবিলম্বে অফলাইন ট্রাইব্যুনাল শুনানির ব্যবস্থা করতে হবে।  লিখিত কারণ না জানিয়ে কারও নাম বাতিল করা যাবে না। ট্রাইবুনাল প্রক্রিয়া চলাকালীন কোনও ভোটারের সরকারি পরিষেবা বা ভাতা বন্ধ রাখা চলবে না। এদিন স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর কমিটির আহবায়ক সুজন কান্তি পাল জানান, নাম বাতিলের দরুন শিক্ষার্থীদের পেশাগত পরীক্ষা, জাতিগত শংসাপত্র সংগ্রহ সহ বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পেতেও মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।


শেহতীয়া খবৰ