ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব-এর প্রভাবে ওড়িশার একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি, অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা

Story by  PTI | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 1 h ago
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব-এর প্রভাবে ওড়িশার একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি, অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব-এর প্রভাবে ওড়িশার একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি, অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা

ভুবনেশ্বর:

পূর্ব উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে মঙ্গলবার ওড়িশার একাধিক এলাকায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি জোরালো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (আইএমডি) জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে ঘূর্ণিঝড়টির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ওড়িশার একাধিক জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আইএমডি ছয়টি জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে। এই জেলাগুলি হল পুরী, গজপতি, গঞ্জাম, রায়গড়া, কোরাপুট এবং মালকানগিরি। সংশ্লিষ্ট এলাকায় ১২ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, বালেশ্বর, ভদ্রক, যাজপুর, কেন্দ্রাপাড়া, কটক, কেওনঝড়, ময়ূরভঞ্জ, কন্ধমাল, কালাহান্ডি, নবরংপুর, খুরদা, নয়াগড়, জগৎসিংহপুর, নুয়াপাড়া, বলাঙ্গির এবং বৌধ জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৫টায় ঘূর্ণিঝড়টি বঙ্গোপসাগরের উপর বিশাখাপত্তনম থেকে প্রায় ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। আগের ছয় ঘণ্টায় ঘণ্টায় ২২ কিলোমিটার গতিতে এগিয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা পর্যন্ত এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। এরপর উত্তর-পশ্চিম দিকে ঘুরে ২৮ অক্টোবর সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে বাপটলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে, ইয়ানামের কাছাকাছি অন্ধ্রপ্রদেশে আছড়ে পড়তে পারে।

স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় ঘূর্ণিঝড়টির সর্বোচ্চ স্থায়ী বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার থাকতে পারে। ঝোড়ো হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে জানিয়েছে আইএমডি।

ওড়িশার বিপর্যয় মোকাবিলা মন্ত্রী সুরেশ পূজারি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলিতে বিপর্যয় মোকাবিলা কর্মী ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজও চলছে।

ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও সম্ভাব্য প্রভাবের দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।



শেহতীয়া খবৰ