আজহার ইকবালের ইনশর্টস: ব্যস্ত পৃথিবীর জন্য মাত্র ৬০ শব্দে সংবাদ

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 4 h ago
আজহার ইকবাল
আজহার ইকবাল

জেবা নাছিম/মুম্বাই

দারুণ খবর, অথচ মাত্র ৬০টি শব্দে সারসংক্ষেপ করা হয়েছে। একসময় একটি ছোট পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টা হলেও, এই ধারণাটি এখন বিশ্বজুড়ে 'ইনশর্টস' নামে পরিচিত। এই উদ্ভাবনী ধারণার পেছনে ছিলেন এক উদ্যমী যুবক, যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে সময়ের সাথে সাথে মানুষের জীবন আরও ব্যস্ত হয়ে উঠছে। প্রত্যেকেই নিজের কাজ এবং দৈনন্দিন জীবন নিয়ে ব্যস্ত। এমন পরিস্থিতিতে, একটি দীর্ঘ গল্পের সারমর্ম পাঠকের কাছে অল্প কথায় পৌঁছে দেওয়ার ধারণাটি ছিল একটি অভিনব ভাবনা।

এই উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার মূল চালিকাশক্তি ছিলেন আজহার ইকবাল। ২০১৩ সালে তাঁর শুরু করা এই ক্ষুদ্র উদ্যোগটি পরবর্তীকালে মানুষের সংবাদ পড়ার অভ্যাসে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে আসে। ‘নিউজ ইন শর্টস’ নামক একটি সাধারণ ফেসবুক পেজ দিয়ে এই যাত্রার শুরু হয়েছিল এবং তা এখন ‘ইনশর্টস’ নামক একটি বিশাল ডিজিটাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
 
আজহার ইকবাল 

বিহারের এক যুবকের একটি বড় স্বপ্ন রয়েছে

আজহার ইকবাল বিহারের কিষাণগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠায়, ছোটবেলা থেকেই নতুন জিনিস শেখা এবং জ্ঞান অর্জনের প্রতি আজহারের বিশেষ আগ্রহ ছিল। তিনি পড়াশোনাতেও বেশ মেধাবী ছিলেন। তিনি আইআইটি দিল্লিতে ভর্তির জন্য যৌথ প্রবেশিকা পরীক্ষায় (JEE) উত্তীর্ণ হন।

তিনি আইআইটি দিল্লিতে গণিত ও কম্পিউটার সায়েন্সে একটি সম্মিলিত উচ্চশিক্ষা কোর্স করেছিলেন। কিন্তু পড়াশোনা করার সময়ই তিনি উপলব্ধি করেন যে, তাঁর স্বপ্ন শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করে একটি ভালো চাকরি পাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি তাঁর চিন্তাভাবনা দিয়ে জীবনে নতুন কিছু গড়তে চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্নকে সত্যি করার জন্য তিনি অবশেষে মাঝপথে আইআইটি ছেড়ে দেওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন।

১৯৯২ সালের ১৮ই জানুয়ারি জন্মগ্রহণকারী আজহার ইকবালের শৈশব থেকেই জীবনে বড় কিছু করার প্রবল ইচ্ছা ছিল। তার আজকের আর্থিক সাফল্যকে সেই নিষ্ঠা ও সংকল্পেরই প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়। ২০২৩ সাল পর্যন্ত, তার বার্ষিক আয় আনুমানিক ১১৪,০০০ মার্কিন ডলার ছিল।

প্রথম ধাপটি ফেসবুক দিয়ে শুরু হয়

২০১৩ সালে আজহার ইকবাল তার দুই সহপাঠী অনুনাভ অরুণব ও দীপিত প্রকাশের সাথে 'নিউজ ইন শর্টস' নামে একটি ফেসবুক পেজ চালু করেন। তাদের ধারণাটি ছিল খুবই সাধারণ, কিন্তু এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক চাহিদা পূরণের সম্ভাবনা ছিল। তারা চেয়েছিলেন দিনের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো বাছাই করে খুব অল্প কথায় সহজ ভাষায় পাঠকদের কাছে উপস্থাপন করতে। এছাড়াও খবরের মূল উৎসের তথ্যও দিতে চেয়েছিলেন, যাতে পাঠক চাইলে পুরো খবরটি নিজে পড়ে নিতে পারেন। 

আজহার ইকবাল 

এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বে কী ঘটছে তা জানা, যাতে মানুষকে দীর্ঘ সংবাদ প্রতিবেদন পড়তে অনেক সময় ব্যয় করতে না হয়। তথ্যের ক্রমবর্ধমান প্রবাহ এবং মানুষের হাতে সময়ের সংকোচনের সেই সময়ে, এই ধরনের একটি নতুন ব্যবস্থা পাঠকদের মধ্যে বিশেষ সাড়া পেয়েছিল।

টি-ল্যাবস একটি নতুন দিক দেখাচ্ছে

আজহার ইকবাল ও তাঁর সহকর্মীরা তাঁদের উদ্যোক্তা জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আসেন, যখন স্টার্টআপদের সহায়তা করার জন্য 'টি-ল্যাবস' নামক একটি বিশেষ কর্মসূচিতে তাঁদের প্রকল্পটি নির্বাচিত হয়। এই কর্মসূচিটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল টাইমস ইন্টারনেট গ্রুপ।

এই সুযোগটি ওই তিন তরুণ উদ্যোক্তার জন্য শুধু আর্থিক সহায়তা পাওয়ার একটি মাধ্যম ছিল না। এটি তাদের একটি ব্যবসা কীভাবে গড়ে তুলতে হয়, একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে পরিচালনা করতে হয় এবং একটি নতুন ধারণাকে কীভাবে একটি সফল ব্যবসায় পরিণত করতে হয়, সে সম্পর্কে অনেক কিছু শেখার সুযোগ করে দিয়েছিল।

এই সাহায্য ও অভিজ্ঞতাই 'নিউজ ইন শর্টস'-এর ধারণার জন্ম দেয়। ধীরে ধীরে, একটি সাধারণ ফেসবুক পেজ একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের রূপ নিতে শুরু করে। প্ল্যাটফর্মটি পরে 'ইনশর্টস' নামে আত্মপ্রকাশ করে। এই সময়েই একটি ছোট ধারণা ক্রমান্বয়ে একটি বৃহৎ ব্যবসায়িক উদ্যোগে পরিণত হয়। 

ইনশর্টস-এর আনুষ্ঠানিক জন্ম

প্রথম পরীক্ষামূলক উদ্যোগের সাফল্যের পর, আজহার ইকবাল ও তাঁর সহকর্মীরা এই উদ্যোগটিকে একটি আনুষ্ঠানিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নেন। শুরু থেকেই ইনশর্টসের সুস্পষ্ট লক্ষ্য ছিল পাঠকদেরকে সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ে যতটা সম্ভব প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ তথ্য পৌঁছে দেওয়া। এটি ব্যস্ত জীবনযাপনকারী মানুষের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়, যেখানে তাঁরা স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশ-বিদেশের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে পারেন।
 

শার্ক ট্যাঙ্কে আজহার ইকবাল  

ইনশর্টসের জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে বিনিয়োগকারীরা এই শিল্পের প্রতি মনোযোগ দিতে শুরু করেন। প্রাথমিক পর্যায়ে, ২০১৩ সালে, প্রতিষ্ঠানটি টি-ল্যাবস থেকে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা পেয়েছিল। পরবর্তীকালে, সংস্থাটি বিভিন্ন পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিনিয়োগ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়।

বিশেষ করে, ২০১৫ সালে প্রাপ্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে নতুন গতি এনেছিল। পরবর্তীকালে, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরাও এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটির প্রতি আগ্রহ দেখান। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুসারে, ইনশর্টস টাইগার গ্লোবাল এবং টাইমস ইন্টারনেট-সহ বেশ কয়েকটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কয়েক মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ পেয়েছে। 

লক্ষ লক্ষ পাঠক থেকে কোটি কোটি ব্যবহারকারী

একটি ছোট ফেসবুক পেজ দিয়ে শুরু হয়ে, এই ধারণাটি কয়েক বছরের মধ্যেই লক্ষ লক্ষ এবং পরবর্তীতে কোটি কোটি ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে যায়। ইনশর্টস-এর বিপুল সংখ্যক সক্রিয় ব্যবহারকারী এবং অ্যাপটি ডাউনলোড করা মানুষের সংখ্যা থেকেই এটা স্পষ্ট যে, অল্প কথায় খবর পড়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ কেবল সাময়িক ছিল না। বরং, এটি ছিল সময়ের চাহিদা থেকে জন্ম নেওয়া একটি নতুন অভ্যাস।

এই সাফল্য ডিজিটাল সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রেও একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে। মানুষ বুঝতে শুরু করল যে প্রতিটি সংবাদের সারমর্ম বুঝতে সবসময় অনেক সময় লাগে না। যদি তথ্য সঠিকভাবে নির্বাচন করে সহজ ও সুসংহতভাবে উপস্থাপন করা হয়, তবে অল্প কথায় অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব।

জনসাধারণের সাথে সংযোগ স্থাপনের নতুন প্ল্যাটফর্ম

ইনশর্টস-এর সাফল্য সত্ত্বেও, আজহার ইকবাল ও তাঁর সহকর্মীরা তাঁদের কাজকে শুধু সংক্ষিপ্ত সংবাদ প্রতিবেদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি। তাঁরা স্থানীয় ঘটনা এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কিত সংবাদের উপর আলোকপাত করার জন্য 'পাবলিক' নামক প্ল্যাটফর্মটিকেও সম্প্রসারিত করেন। এই ফোরামের উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে তাদের নিজ নিজ এলাকায় ঘটে চলা ঘটনা ও স্থানীয় বিষয়াবলীর সাথে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করা। এইভাবে, একদিকে ইনশর্টস দেশে ও বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পৌঁছে দিতে শুরু করে, অন্যদিকে 'পাবলিক' প্ল্যাটফর্মটি স্থানীয় গণমাধ্যম এবং সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে যোগাযোগের একটি নতুন মাধ্যম উন্মুক্ত করে দেয়। 

আজহার ইকবাল 

ইনশর্টস থেকে শার্ক ট্যাঙ্ক

ইনশর্টস-এর প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে আজহার ইকবাল একটি মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনার নেতৃত্ব দেন এবং পরবর্তীতে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীপিত প্রকাশ সিইও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই পরিবর্তনটি এও তুলে ধরে যে, কীভাবে তিনজন শিক্ষার্থীর শুরু করা একটি ছোট প্রকল্প থেকে ইনশর্টস একটি সুপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হলো।

ব্যবসায় সাফল্য আজহার ইকবালকে একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি জনপ্রিয় টেলিভিশন শো ‘শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়া’-র তৃতীয় সিজনে একজন বিনিয়োগকারী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নতুন উদ্যোক্তা ও তরুণ প্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ পান। 

যে ব্যক্তি ছাত্রাবস্থায় একটি ছোট ফেসবুক পেজ দিয়ে তাঁর স্বপ্নের যাত্রা শুরু করেছিলেন, তিনিই এখন অন্য তরুণদের ব্যবসায়িক স্বপ্নে বিনিয়োগ ও পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এটি নিঃসন্দেহে তাঁর জীবনের একটি বিশেষ অধ্যায়। 

তরুণ উদ্যোক্তা প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা

আজহার ইকবাল তার কর্মজীবনে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা ও স্বীকৃতি লাভ করেছেন। তিনি বিজনেস ওয়ার্ল্ড ৪০ আন্ডার ৪০, ফরচুন ইন্ডিয়া ৪০ আন্ডার ৪০, বিজনেস ওয়ার্ল্ড ইয়ং এন্টারপ্রেনার অ্যাওয়ার্ড, ফোর্বস ইন্ডিয়া ৩০ আন্ডার ৩০ এবং ফোর্বস এশিয়া ৩০ আন্ডার ৪০-এর মতো উল্লেখযোগ্য তালিকা ও সম্মাননায় স্থান পেয়েছেন। 

শার্ক ট্যাঙ্কে আজহার ইকবাল   

কিন্তু তাঁর জীবনকাহিনীর প্রকৃত তাৎপর্য এই পুরস্কার, সম্মাননা বা আর্থিক সাফল্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সম্ভবত তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচয় হলো এই যে, তিনি লক্ষ লক্ষ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি সাধারণ সমস্যা সময়মতো চিহ্নিত করতে পেরেছিলেন। মানুষ বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চায়, কিন্তু দীর্ঘ সংবাদ প্রতিবেদন পড়ার মতো যথেষ্ট সময় সবার থাকে না। আজহার এই সমস্যার মধ্যেই একটি নতুন সম্ভাবনা খুঁজে পেয়েছিলেন। এবং সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সাহসও দেখিয়েছিলেন।

একটি যাত্রা, একটি অনুকরণীয় উদাহরণ

আজহার ইকবালের সাফল্যের গল্প এখনও শেষ হয়নি। একটি ছোট ফেসবুক পেজ দিয়ে শুরু হওয়া তার এই যাত্রা আজ ইনশর্টস এবং পাবলিক-এর মতো বৃহত্তর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিস্তৃত হয়েছে। নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য আইআইটি দিল্লি মাঝপথে ছেড়ে দেওয়া, তারপর একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং পরবর্তীতে শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মে নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের পথ দেখানো—এই দীর্ঘ যাত্রার প্রতিটি পর্যায়ই সাহস, অধ্যবসায় এবং নিজের ধারণার প্রতি গভীর বিশ্বাসের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। 

বিহারের এক মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে ভারতের অন্যতম বিশিষ্ট স্টার্টআপ উদ্যোক্তা হিসেবে আজহার ইকবালের উত্থান শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়। এটি স্বপ্ন, সংগ্রাম, ধৈর্য, ​​একাগ্রতা এবং একটি নতুন ধারণার প্রতি অটল বিশ্বাসের গল্প। তাঁর জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, যদি মানুষের মধ্যে নতুন কিছু করার প্রবল ইচ্ছা থাকে, যদি তারা ব্যর্থতা বা অনিশ্চয়তাকে ভয় না পেয়ে সাহসের সাথে তাদের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যেতে পারে, তবে একটি অতি ছোট পদক্ষেপও একদিন একটি বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

আজহার ইকবাল ও ইনশর্টসের গল্পটি একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত যে, কীভাবে একদিন একটি সাধারণ ফেসবুক পেজ দিয়ে শুরু হওয়া একটি যাত্রা কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠতে পারে।


শেহতীয়া খবৰ