বিলবোর্ড সরানোকে কেন্দ্র করে অফিসে হাতাহাতি, তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশের নোটিস

Story by  PTI | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 21 h ago
বিলবোর্ড সরানোকে কেন্দ্র করে অফিসে হাতাহাতি, তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশের নোটিস
বিলবোর্ড সরানোকে কেন্দ্র করে অফিসে হাতাহাতি, তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশের নোটিস
 
কলকাতা: 
 
দলের প্রতীকযুক্ত একটি বিলবোর্ড সরানোকে কেন্দ্র করে চলতি সপ্তাহের শুরুতে তাঁর অফিসের কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশ ও পুরকর্মীদের হাতাহাতির ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে তাঁর কলকাতার বাড়িতে গিয়ে এই নোটিস দেওয়া হয় বলে রবিবার এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মঙ্গলবার দুপুরে শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে। এই ঘটনায় মোট তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। তার মধ্যে দু’টি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তৃণমূলের অন্যান্য নেতা, যার মধ্যে ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবিরও রয়েছেন, তাঁদের নামও এফআইআরে রয়েছে।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রবিবার ডেরেক ও’ব্রায়েনকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে পুলিশ ও কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা ‘অননুমোদিত’ একটি বিলবোর্ড খুলতে গেলে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, সমর্থক এবং কয়েকজন দলীয় নেতার সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তি হয়। বিলবোর্ডটিতে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক ছিল।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন অবশ্য ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের বাধা দেওয়ার খবরকে ‘ভুয়ো খবর’ বলে দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, নিরাপত্তারক্ষীরা শুধুমাত্র ভবনের প্রবেশপথে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

রাস্তার দিকে মুখ করা ভবনের উপরতলায় একটি লোহার কাঠামোর ওপর ওই তৃণমূলের প্রতীকযুক্ত বিলবোর্ডটি বসানো হয়েছিল। পরে পুলিশ ভিতরে প্রবেশ করার পর কলকাতা পুরসভার কর্মীরা সেটি খুলে দেন।

ডেরেক ও’ব্রায়েনের অভিযোগ ছিল, পুলিশ ‘অবৈধ’ নোটিস নিয়ে অফিসে ঢুকে পড়ে, প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং দলীয় সমর্থক ও অফিসকর্মীদের হেনস্থা করে।

কলকাতা পুলিশের এক সিনিয়র আধিকারিক বলেন, “তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস দেওয়া হয়েছে। তাঁকে তদন্তকারী আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্যপ্রমাণও খতিয়ে দেখছে।