নয়াদিল্লি
অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS) ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স গ্লোবাল টপ ২৫০ হসপিটালস ২০২৬’ রিপোর্টে বিশ্বে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে। দেশের শীর্ষ সরকারি এই হাসপাতালকে বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের কাতারে তুলে ধরেছে এই অর্জন।
AIIMS-এর অবস্থান জনস হপকিন্স মেডিসিন, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি হসপিটালস এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি মেডিক্যাল সেন্টার, ম্যাস জেনারেল ব্রিঘাম এবং মেয়ো ক্লিনিক হেলথ সিস্টেম, এইসব যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ঠিক পরেই। এই তালিকায় ভারতের একটি সরকারি হাসপাতালের অবস্থান দেশের চিকিৎসা পরিষেবা, চিকিৎসা শিক্ষা এবং গবেষণাভিত্তিক জনস্বাস্থ্যে ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক প্রভাবের পরিচায়ক।
রিপোর্ট অনুযায়ী, গবেষণা ক্ষেত্রে AIIMS ৭৯.৪ স্কোর অর্জন করেছে, যা এর বৈজ্ঞানিক কাজের গভীরতা এবং ধারাবাহিকতা তুলে ধরে। পাশাপাশি, সেবা প্রদানে ৭৬.১ স্কোর প্রমাণ করে যে অত্যন্ত বেশি রোগীসম্ভারের মধ্যেও জটিল চিকিৎসা পরিষেবা সফলভাবে পরিচালনার অসাধারণ ক্ষমতা গড়ে তুলেছে প্রতিষ্ঠানটি। সামগ্রিক ব্র্যান্ড শক্তির স্কোর ৭৯.৯, যা এআইআইএমএস-কে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী হাসপাতাল ব্র্যান্ডগুলোর অন্যতম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স জানিয়েছে, AIIMS স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের মধ্যে বিশ্বব্যাপী প্রায় সর্বজনস্বীকৃতি লাভ করেছে, বিশেষত উচ্চ রোগীর চাপের মধ্যেও নির্ভুল ক্লিনিক্যাল কেয়ার বজায় রাখার অদ্বিতীয় ক্ষমতার জন্য। বৃহৎ সংখ্যক রোগীর কাছে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষমতাই প্রতিষ্ঠানটিকে বিশেষভাবে আলাদা করেছে, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশের প্রসঙ্গে।
রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে AIIMS-এ গবেষণা এখন প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। ট্রান্সলেশনাল সায়েন্স থেকে শুরু করে জাতীয় স্বাস্থ্যগত প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বৃহৎ ক্লিনিক্যাল স্টাডি, সব মিলিয়ে এর বিস্তৃত গবেষণার পরিধি নীতি-নির্ধারণ এবং ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসকে ক্রমশ প্রভাবিত করছে।