ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে ফের সরব ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, যন্তর মন্তরে দীর্ঘ অবস্থানে অনড় অভিজিৎ দীপকে

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 2 d ago
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে ফের সরব ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, যন্তর মন্তরে দীর্ঘ অবস্থানে অনড় অভিজিৎ দীপকে
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে ফের সরব ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, যন্তর মন্তরে দীর্ঘ অবস্থানে অনড় অভিজিৎ দীপকে
 
নয়াদিল্লি:

 ‘নিট’ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থায় দুর্নীতির অভিযোগকে সামনে রেখে আবারও রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নামল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। শনিবার সকাল থেকেই দলের ডাকে হাজার হাজার সমর্থক যন্তর মন্তরে জড়ো হন। আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়ে অভিজিৎ দীপকে বলেন, “শিক্ষাব্যবস্থার উপর থেকে মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আলোচনার দরজা খোলা থাকলেও তার প্রথম শর্ত হল ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ।”

বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। যন্তর মন্তরে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত জমায়েতের অনুমতি দেয় দিল্লি পুলিশ। তবে আন্দোলনকারীদের সংখ্যা ও বিভিন্ন রাজ্য থেকে আগত পড়ুয়াদের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে কর্মসূচির সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানান অভিজিৎ। সেই নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের বাগবিতণ্ডা তৈরি হয়।

অভিজিৎ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তরুণ-তরুণীরা ন্যায়বিচারের দাবিতে এখানে এসেছেন। এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণ এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য। আমরা চাই দিল্লি পুলিশ কর্মসূচির সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করুক।”

শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষার ক্রমবর্ধমান খরচ এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রশাসনের জবাবদিহিতার অভাব—এই সমস্ত বিষয়কে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে আসছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। ‘নিট’ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণের দাবি জোরদার করেছে দলটি।

এর আগে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়ে অভিজিৎ দীপকে দাবি করেন, “দেশের মানুষ শিক্ষাব্যবস্থায় জবাবদিহিতা চায়। সেই প্রক্রিয়ার শুরু হতে পারে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের মাধ্যমে।”

রাজনৈতিক মহলের মতে, শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবিকে কেন্দ্র করে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নিজেদের আন্দোলনকে জাতীয় স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। শনিবারের যন্তর মন্তরের জমায়েত সেই প্রচেষ্টাকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।