ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে পুতিন, মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে নজর

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 4 h ago
পুতিনকে স্বাগত জানান ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং
পুতিনকে স্বাগত জানান ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং

নয়াদিল্লি:

১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত এই সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি।

সম্মেলনের আগে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে পুতিনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে ভারত-রাশিয়া কৌশলগত সম্পর্কের পাশাপাশি অর্থনীতি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ইউক্রেন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়েও দুই নেতার মধ্যে মতবিনিময়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

এবারের ব্রিকস সম্মেলন বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২৬ সালে ভারতের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সম্মেলনে সম্প্রসারিত ব্রিকসের ১১টি সদস্য দেশের নেতারা অংশ নিচ্ছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও ১২–১৩ সেপ্টেম্বরের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ব্রিকসের বর্তমান সদস্যদের মধ্যে রয়েছে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়া। পাশাপাশি বেলারুশ, বলিভিয়া, কাজাখস্তান, কিউবা, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, থাইল্যান্ড, উগান্ডা, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনামসহ একাধিক দেশ অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।

ভারতের ২০২৬ সালের ব্রিকস সভাপতিত্বের মূল ভাবনা—‘Building for Resilience, Innovation, Cooperation and Sustainability’। সম্মেলনে অর্থনৈতিক ও আর্থিক সহযোগিতা, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় এবং সাংস্কৃতিক ও জনসম্পর্কের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের পাশাপাশি বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে।

এদিকে ২০২৭ সালে ব্রিকসের সভাপতিত্ব করবে চীন। পরবর্তী বছরের শীর্ষ সম্মেলনও চীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ভারত ও চীন ২০২৬ ও ২০২৭ সালের ব্রিকস আয়োজন সফল করতে একে অপরকে সহযোগিতা করার বিষয়ে আগেই সম্মত হয়েছে।

বিশ্ব রাজনীতিতে একাধিক সংঘাত ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার আবহে এবারের ব্রিকস সম্মেলন তাই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে মোদি-পুতিন এবং মোদি-শি বৈঠকের দিকে আন্তর্জাতিক মহলের নজর রয়েছে।



শেহতীয়া খবৰ