সর্বভারতীয় মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশনের এই মানুষটি অক্লান্তভাবে ছুটে চলেছেন অসহায় মানুষদের সাহায্য করার জন্য

Story by  Shanti Roy Chowdhury | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 1 d ago
সর্বভারতীয় মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশনের এই মানুষটি অক্লান্তভাবে ছুটে চলেছেন অসহায় মানুষদের সাহায্য করার জন্য
সর্বভারতীয় মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশনের এই মানুষটি অক্লান্তভাবে ছুটে চলেছেন অসহায় মানুষদের সাহায্য করার জন্য
 
শান্তি প্রিয় রায়চৌধুরী:
 
 
পীরজাদা সৈয়দ রুহুল আমিন ভাইজান। যিনি সর্বভারতীয় মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক।তিনি মেদিনীপুরের একজন সমাজসেবী ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, যিনি "সমাজ বদলানোর জন্য ভাবনা বদলানো জরুরি" স্লোগানে কাজ করছেন। তিনি শিক্ষার প্রসার, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় উন্নয়ন পার্টি(জুপ)এর মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্য হলো সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন । 

সৈয়দ রহুল আমিন ভাইজান এমন এক ব্যক্তিত্ব যার গ্রহণযোগ্যতা আছে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে। তিনি ধার্মিক মানুষ, কিন্তু গোড়া নন। বিজ্ঞানের আলোকে যেমন ধর্মের বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাখ্যা করেন, তেমনি উচ্চশিক্ষিত এই মানুষটির ব্যক্তিত্বের কাছে মৌলিক শিক্ষার পাঠ নিতে ভালোবাসেন বহু গুণী মানুষ। এক কথায় সর্বগুণের এই মানুষটি যখন রাজ্যের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করলেন তখন অনেকের ভ্রু কুঁচকালেন,কিন্তু  সাধারণ মানুষ দু'হাত তুলে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন। কারণ তারা জানেন এই মানুষটির যেমন হারানোর কিছু নেই তেমনই পাওয়ার ও কিছু নেই। সেই ভরসাতেই জাতীয় উন্নয়ন পার্টির সভাপতি ভাইজান ভাইয়ের প্রতি সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন পিছিয়ে পড়া শ্রেণি ও নিম্নবর্গের অসংখ্য সাধারণ মানুষ। তারা জানেন এই মানুষটি  পারবেন তাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে লড়াই করতে। এই মানুষটি অসময়ে তাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন এবং দাঁড়াবেন এ ধারনাটা তাদের তৈরি হয়ে গেছে।

সৈয়দ রুহুল আমিন ভাইজানের সমাজসেবার মূল দিকগুলো হল- তিনি শিক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকেন।তিনি  জাতীয় উন্নয়ন পার্টি(জুপ) নামক একটি নতুন রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে সমাজ ও বাঙালি জাতির উন্নয়নের জন্য কাজ শুরু করেছেন।অসহায়দের পাশে, সমাজের সাধারণ ও অভাবী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সমস্যার সমাধান খোঁজা তাঁর কাজের অন্যতম অংশ।"সমাজ বদলানোর জন্য ভাবনা বদলানো জরুরি" এই দর্শনের মাধ্যমে তিনি তরুণ ও সমাজকে সচেতন করার প্রচেষ্টা চালান।

এক কথায় বলা যায়,তিনি ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে একটি উন্নত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন।
বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া দলিত জনগোষ্ঠীর মানুষের অধিকার পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করছেন।

তিনি তার এই কাজ থেকে কখনোই সরে আসবেন না। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সাধারণ মানুষের পাশে থেকে লড়াই করে যাবেন। তার সঙ্গে কথা বলার সময় এ কথা তার মুখ থেকে বারবার উচ্চারিত হচ্ছিল। 

তার এই পথ চলা কিন্তু তার বাবা সৈয়দ খালেদ সাহেবের পথ ধরেই। পথপ্রদর্শক তার বাবা ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ, যিনি সম্প্রতি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন। যিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সমাজের মানুষকে অকাতরে দান করে গেছেন, তা তার চিকিৎসার মাধ্যমেই হোক আর অর্থ সাহায্যের মাধ্যমেই হোক। এইসব কাজ তিনি তার পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার প্রতাপপুর  দরবারে বসে অকাতরে করে গেছেন।  তার সুযোগ্য সন্তান ভাইজান ভাইও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। তার লক্ষ্য যেভাবেই হোক সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের সাহায্য করা। সেই লক্ষ্যে অক্লান্তভাবে পরিশ্রম করে করে চলেছেন সর্বভারতীয় মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশনের এই মানুষটি।