কলকাতা:
বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার তিনি অভিযোগ করেন, “অন্যান্য সব সংস্থা সম্পূর্ণভাবে আপসকামী হয়ে পড়েছে।”
বর্তমান ব্যবস্থার মাধ্যমে সত্য প্রকাশ পাবে না—এই মন্তব্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে হওয়া তদন্তই বিশ্বাসযোগ্য হবে।
হুগলি জেলার সিঙ্গুরে রওনা হওয়ার আগে কলকাতায় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমরা কেবল সুপ্রিম কোর্টকেই বিশ্বাস করি। অন্যান্য সব সংস্থা পুরোপুরি আপসকামী হয়ে গিয়েছে।”
বুধবার সকালে পুণে জেলার বারামতীর কাছে একটি বিমান ভেঙে পড়লে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার (৬৬) এবং আরও চার জনের মৃত্যু হয়।
দিল্লিভিত্তিক সংস্থা ভিএসআর ভেঞ্চার্স পরিচালিত লিয়ারজেট ৪৬ বিমানটি বারামতী বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ)-এর মতে, বিমানে ক্রু সদস্যসহ মোট পাঁচ জন ছিলেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও ইঙ্গিত দেন যে, অজিত পাওয়ার তাঁর কাকা শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি–এসপি)-তে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন প্রতিবেদনে এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ সকালে অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর খবর দেখে আমি সত্যিই স্তম্ভিত। এতে বোঝা যায়, এই দেশে কারও—এমনকি রাজনৈতিক নেতাদেরও—কোনও নিরাপত্তা নেই।”
তিনি আরও বলেন, “এমনকি যারা আজ শাসক ব্যবস্থার অংশ, তারাও নিরাপদ বলে মনে হচ্ছে না।”