জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লি-মুম্বইয়ে বিক্ষোভের ডাক, বাড়ল নিরাপত্তা

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 14 h ago
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লি-মুম্বইয়ে বিক্ষোভের ডাক, বাড়ল নিরাপত্তা
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লি-মুম্বইয়ে বিক্ষোভের ডাক, বাড়ল নিরাপত্তা

 

নয়াদিল্লি: 

 
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে প্রশ্ন তুলে গান্ধীজয়ন্তীতে দিল্লি ও মুম্বইয়ে পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে দুই শহরেই প্রশাসনিক অনুমতি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

দিল্লির যন্তর মন্তরে শুক্রবার সকাল ১১টায় বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (AISA), রাজ্যসভা সাংসদ মনোজ ঝা ও আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ-সহ কয়েকটি সংগঠন। আম আদমি পার্টির নেতারাও সমর্থকদের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে দিল্লি পুলিশ এই জমায়েতের অনুমতি দেয়নি। সম্ভাব্য ভিড়ের কথা মাথায় রেখে যন্তর মন্তরের আশপাশে ব্যারিকেড ও অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, কয়েক হাজার মানুষের জমায়েতের আশঙ্কায় কেন্দ্রীয় দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশকর্মীদের দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে ড্রোনে নজরদারির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, মুম্বইয়ে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে শিবাজি পার্কে ‘জেল ভরো আন্দোলন’-এর ঘোষণা করেছেন। কর্মসূচির মূল দাবি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং SIR প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাবদিহি। শিবাজি পার্কে বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি মুম্বই পুলিশ। ২০১৩ সালের বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশ, এলাকা ‘সাইলেন্স জোন’ হওয়া এবং যানজট ও শব্দদূষণের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছে পুলিশ।

CJP জানিয়েছে, অনুমতি না মিললেও তারা ‘জেল ভরো’ কর্মসূচি চালাবে। সংগঠনটি পরবর্তী সময়ে গোয়া, বেঙ্গালুরু, কলকাতা-সহ অন্যান্য শহরেও আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে।

এই বিক্ষোভের পটভূমিতে রয়েছে SIR-কে ঘিরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলি সাংবিধানিক ও আইনসম্মত ক্ষমতার ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে এবং কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতামতের পার্থক্য প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনার স্বাভাবিক অংশ।

দিল্লি ও মুম্বইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে তাই রাজনৈতিক প্রতিবাদ, প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা এবং নিরাপত্তা প্রস্তুতি—তিনটি বিষয়ই সামনে এসেছে।