CAA-র অধীনে ত্রিপুরায় মিলছে ভারতীয় নাগরিকত্ব, ইতিমধ্যেই শংসাপত্র পেলেন দুই আবেদনকারী
ত্রিপুরা
ত্রিপুরায় নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) বাস্তবায়নের কাজ ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে। এই আইনের বিধান অনুযায়ী তিনজন ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভের পথে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা।
ইতিমধ্যেই দুই আবেদনকারীকে নাগরিকত্বের শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে। তৃতীয় আবেদনকারীও খুব শীঘ্রই সেই শংসাপত্র পেতে পারেন বলে জানা গেছে।
এই প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ত্রিপুরার জনগণনা পরিচালনা ও নাগরিক নিবন্ধনের পরিচালক তথা সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্বের শংসাপত্র প্রদান সংক্রান্ত রাজ্যস্তরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির চেয়ারম্যান আইএএস কর্মকর্তা রতন বিশ্বাস জানান, সমগ্র আবেদন প্রক্রিয়াটি ভারত সরকারের তৈরি করা অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
সিএএ-র অধীনে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে পাকিস্তান, বাংলাদেশ অথবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে প্রবেশ করা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন।
রতন বিশ্বাস জানান, পোর্টালে জমা পড়া আবেদনগুলি প্রথমে জেলা স্তরের কমিটিগুলি খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে। এরপর ডাক বিভাগের সুপারিনটেনডেন্ট তদন্ত চালিয়ে নথিপত্র ও আবেদনকারীদের যাচাই করেন এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য রাজ্যস্তরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির কাছে সুপারিশ পাঠান।
তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত আমরা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অধীনে ২৪টি আবেদন পেয়েছি। এর মধ্যে দুই আবেদনকারীকে ইতিমধ্যেই নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই আরও একটি শংসাপত্র প্রদান করা হবে এবং বাকি আবেদনগুলির প্রক্রিয়াকরণ চলছে।”
ইতিমধ্যেই নাগরিকত্বের শংসাপত্র প্রাপ্ত দুই ব্যক্তি হলেন উত্তর ত্রিপুরা জেলার বাসিন্দা ঝলক দাস চৌধুরী এবং সীমা রানি বণিক।
আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কোনও আবেদনই হাতে প্রক্রিয়াকরণ করা হয় না। পুরো প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়।
রাজ্য সরকারের আশা, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর বাকি আবেদনগুলিও দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে।