৩ বছর পর শুরু ১০০ দিনের কাজ, মালদায় উচ্ছ্বাস: কৃতিত্বের লড়াইয়ে ‘ডবল ইঞ্জিন’ বার্তা

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 9 d ago
৩ বছর পর শুরু ১০০ দিনের কাজ, মালদায় উচ্ছ্বাস: কৃতিত্বের লড়াইয়ে ‘ডবল ইঞ্জিন’ বার্তা
৩ বছর পর শুরু ১০০ দিনের কাজ, মালদায় উচ্ছ্বাস: কৃতিত্বের লড়াইয়ে ‘ডবল ইঞ্জিন’ বার্তা

মালদা:


দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার অবসান। অবশেষে মালদা জেলায় আবারও শুরু হল ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প। কাজের সুযোগ ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন বহু গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষ। অন্যদিকে, এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক কৃতিত্বের লড়াই।

কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই আটকে থাকা প্রকল্পের জট কেটেছে এবং সাধারণ মানুষের হাতে আবারও কাজ ফিরেছে। তাঁদের বক্তব্য, উন্নয়নের স্বার্থে রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে কেন্দ্র-রাজ্যের সমন্বয়ই মানুষের কাছে সবচেয়ে বড় বার্তা।

অন্যদিকে, বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন প্রকল্প বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক টানাপোড়েনের বলি হওয়া উচিত নয় সাধারণ শ্রমিকদের অধিকার।

তবে রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে মালদার গ্রামাঞ্চলে এখন অন্য ছবি। বহু পরিবারের কাছে ১০০ দিনের কাজ মানে শুধু সরকারি প্রকল্প নয়, সংসারের ভরসা, সন্তানের পড়াশোনার খরচ এবং দৈনন্দিন জীবনের নিরাপত্তা। কাজ শুরুর খবর ছড়াতেই বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতে শ্রমিকদের ভিড় দেখা গেছে।

গ্রামীণ অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকাজের বাইরে বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরি করতে ১০০ দিনের কাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই প্রকল্প পুনরায় চালু হওয়ায় স্থানীয় বাজারে অর্থের প্রবাহ বাড়বে, ক্ষুদ্র ব্যবসাও কিছুটা চাঙ্গা হতে পারে।

তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—এটি কি সাময়িক স্বস্তি, নাকি গ্রামীণ কর্মসংস্থানের নতুন অধ্যায়ের সূচনা? মালদার শ্রমজীবী মানুষের প্রত্যাশা একটাই—রাজনীতি নয়, কাজ যেন আর বন্ধ না হয়।

কাজ ফিরেছে, তাই হাসি ফিরুক গ্রামের উঠোনে—এটাই এখন মালদার মানুষের সবচেয়ে বড় চাওয়া।