‘জনতার দরবারে’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, চিকিৎসা থেকে চাকরি, অভিযোগের পাহাড় নিয়ে হাজির সাধারণ মানুষ

Story by  atv | Posted by  Aparna Das • 11 d ago
‘জনতার দরবারে’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, চিকিৎসা থেকে চাকরি, অভিযোগের পাহাড় নিয়ে হাজির সাধারণ মানুষ
‘জনতার দরবারে’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, চিকিৎসা থেকে চাকরি, অভিযোগের পাহাড় নিয়ে হাজির সাধারণ মানুষ
 
কলকাতা

সাধারণ মানুষের সমস্যা ও অভিযোগ সরাসরি শোনার লক্ষ্যে শনিবার বিজেপি কার্যালয়ে ‘জনতা দরবার’ কর্মসূচি পালন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানুষের অভিযোগ শোনেন তিনি এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দ্রুত সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেন।
 
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন যে প্রতি সপ্তাহে সাধারণ মানুষ তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ পাবেন। সেই ঘোষণার অংশ হিসেবেই গত ১৮ মে প্রথম ‘জনতা দরবার’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। শনিবার ছিল এই কর্মসূচির পরবর্তী পর্ব।
 
এদিন গুরুতর অসুস্থ রোগীদের পরিবারের সদস্য, স্বাস্থ্যকর্মী, চাকরিপ্রার্থী-সহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ বিপুল সংখ্যায় উপস্থিত হয়ে নিজেদের সমস্যা ও দাবি-দাওয়া মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।
 
উপস্থিতদের মধ্যে করুণা নামে এক মহিলা জানান, তিনি তাঁর কন্যার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানাতে জনতা দরবারে এসেছেন।
 
অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের ‘মিশন বাত্সল্য’ প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার তনিমা চট্টোপাধ্যায় চাকরির স্থায়িত্বের দাবি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন। তিনি বলেন, “আমরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে থাকা শিশুদের জন্য পরিবারভিত্তিক ও অ-প্রাতিষ্ঠানিক পরিচর্যার ব্যবস্থা করি। রাজ্যে ৮৭৬ জন কর্মী কাজ করলেও আমাদের চাকরির কোনও নিরাপত্তা নেই। আমরা শুধু নির্দিষ্ট হারে পারিশ্রমিক পাই। আগের সরকার আমাদের জন্য কিছুই করেনি। আশা করি বিজেপি সরকার আমাদের চাকরি স্থায়ী করার বিষয়ে উদ্যোগ নেবে।”
 
এছাড়াও বহু মানুষ পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আসেন। তাঁদের দাবি, পূর্ববর্তী সরকার একাধিক খুনের মামলা ও অন্যান্য অপরাধের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।
 
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি সরকারের অন্যতম জনমুখী উদ্যোগ হিসেবে ‘জনতা দরবার’ ক্রমশ গুরুত্ব পাচ্ছে। বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে এ ধরনের জনশুনানি কর্মসূচি আগে থেকেই প্রচলিত। দলটির দাবি, এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারকে আরও সহজলভ্য করা যায় এবং অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হয়।