হরিয়ানা ঃ
আরাবল্লী পর্বত ধ্বংস হয়ে যাবে বলে দেশজুড়ে বিতর্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে এ বিষয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করল কেন্দ্রীয় সরকার। এই পর্বতাঞ্চল রক্ষা করা হবে বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।
আরাবল্লী পর্বতাঞ্চলে খননকার্যের জন্য নতুন করে আর কোনও সংস্থাকে লিজ দেওয়া যাবে না। সব রাজ্য সরকারকেই নতুন খাদানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে। বুধবার এই নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের যে রাজ্যগুলিতে আরাবল্লী পর্বত বিস্তৃত, সেই রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। দিল্লি থেকে গুজরাত পর্যন্ত বিস্তৃত আরাবল্লী পর্বত। এই পর্বতাঞ্চলে বেআইনি ও নিয়ন্ত্রণহীন খাদান বন্ধ করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্য সরকারগুলিকেও এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির যৌথ উদ্যোগেই আরাবল্লী পর্বতাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে।
আরাবল্লী পর্তাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে যথেচ্ছ খননকার্য চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। এর ফলে এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এই পর্বতাঞ্চলের বেশিরভাগ অংশই খাদানের জন্য বেসরকারি সংস্থাগুলির হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে সম্প্রতি দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন করে খাদান বন্ধ করার পাশাপাশি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ ফরেস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আরাবল্লী পর্বতাঞ্চলে আরও কোনও জায়গায় খাদান বন্ধ করে দেওয়া উচিত কি না, সে বিষয়ে জরিপ করতে হবে। এই ধরনের অঞ্চল চিহ্নিত করতে হবে।
সরকার ইতিমধ্যেই বেশ কিছু অঞ্চল চিহ্নিত করেছে। প্রয়োজনে আরও কিছু অঞ্চলে খাদান বন্ধ করে দেওয়া হবে। পরিবেশ, ভূতত্ত্ব ও ভূ-দৃশ্যের কথা মাথায় রেখেই খাদান বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রাজ্য সরকারগুলিকে পরিবেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আরাবল্লী পর্বতাঞ্চলে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে তবেই খাদান চালানো যাবে।