কলকাতার দুর্গাপুজোর সৃজনশীলতা ও সম্প্রীতিতে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর

Story by  PTI | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 16 h ago
কলকাতার দুর্গাপুজোর সৃজনশীলতা ও সম্প্রীতিতে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর
কলকাতার দুর্গাপুজোর সৃজনশীলতা ও সম্প্রীতিতে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর
কলকাতা: 
 
কলকাতার একাধিক দুর্গাপুজোর মণ্ডপ ঘুরে উৎসবের সৃজনশীলতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানুষের আন্তরিকতার প্রশংসা করলেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। দুর্গাপুজো যে মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে রয়েছে, তা এবার সরাসরি উপলব্ধি করতে পেরেছেন বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার দিল্লি যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে কলকাতার জনপ্রিয় শ্রীভূমি দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সেখানে তাঁর পরিদর্শনের ছবি সমাজমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে গোর লেখেন, “কলকাতায় ফিরে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে! কয়েকটি সুন্দর পুজোর মণ্ডপ ঘুরে দেখেছি এবং এখানকার অসাধারণ সৃজনশীলতা, সামাজিক বন্ধন ও আন্তরিকতা কাছ থেকে অনুভব করেছি। এখন বুঝতে পারছি, এই উৎসব মানুষের কাছে এতটা বিশেষ কেন। যাঁরা দুর্গাপুজো উদ্‌যাপন করছেন, তাঁদের সবাইকে শুভেচ্ছা!”দুর্গাপ্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে তোলা একটি ছবিও পোস্ট করেন তিনি। উৎসবের শিল্পকলা এবং মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের প্রতি তাঁর মুগ্ধতা প্রকাশ পায় সেই পোস্টে।
 
এর আগে সোমবারও কলকাতার একাধিক দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শন করেন গোর। তাঁর সফরের তালিকায় ছিল সল্টলেকের দুটি মণ্ডপ এবং দক্ষিণ কলকাতার আলিপুর ও বেহালার আরও দুটি পুজো।
 
পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম উৎসব দুর্গাপুজো তার বর্ণাঢ্য মণ্ডপসজ্জা, নিপুণ প্রতিমাশিল্প এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য দেশ-বিদেশে পরিচিত। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরে কাজ করেন শিল্পী, ভাস্কর ও মণ্ডপসজ্জার কারিগররা। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তৈরি হয় নানা শিল্পকর্ম, যা দেখতে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে।
 
দুর্গাপুজোর সাংস্কৃতিক গুরুত্ব এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে একসূত্রে বাঁধার ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সালে ইউনেস্কো পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোকে ‘মানবতার অবস্তুগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্বমূলক তালিকা’য় অন্তর্ভুক্ত করে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই সফর আরও একবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার দুর্গোৎসবের শিল্প, সংস্কৃতি ও সামাজিক ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরল।



শেহতীয়া খবৰ