খাদ্য সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতার স্বীকৃতি, অযোধ্যার রামমন্দির পেল ‘ইট রাইট প্লেস অফ ওরশিপ’ শংসাপত্র
নয়াদিল্লি:
খাদ্য সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতার মান বজায় রাখার স্বীকৃতি হিসেবে অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রকে ‘ইট রাইট প্লেস অফ ওরশিপ’ শংসাপত্র দিল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই)। রবিবার খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার তরফে সামাজিক মাধ্যমে এই ঘোষণা করা হয়।
এফএসএসএআই জানিয়েছে, তাদের নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনে আগামী দু’বছরের জন্য এই শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর থেকে ২০২৮ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত এই স্বীকৃতি কার্যকর থাকবে।
শনিবার অযোধ্যায় আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এফএসএসএআইয়ের সিইও রজিত পুনহানি মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে শংসাপত্র তুলে দেন।
এফএসএসএআইয়ের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ‘ইট রাইট প্লেস অফ ওরশিপ’ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল ধর্মীয় উপাসনাস্থলগুলিতে খাদ্য সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতার মান বজায় রাখতে উৎসাহ দেওয়া। পাশাপাশি, এই ধরনের স্থানগুলির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলাও এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রসাদ, লঙ্গর-সহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে পরিবেশিত খাবারের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও অসাধু পদ্ধতি রুখতে এই কর্মসূচি বিশেষ গুরুত্ব দেয়। খাদ্য সুরক্ষা ও মান সংক্রান্ত আইন, ২০০৬ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি মেনে চলা নিশ্চিত করাও এর উদ্দেশ্য।
এই কর্মসূচির আওতায় উপাসনাস্থলগুলিকে খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় পরামর্শ, করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য পরিবেশনের পদ্ধতি সম্পর্কে জানানো হয়।
শংসাপত্র দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত তালিকা অনুযায়ী প্রাথমিক নিরীক্ষা করা হয়। এরপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং সবশেষে তৃতীয় পক্ষের সংস্থার মাধ্যমে চূড়ান্ত নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রামমন্দিরে রামলালার নতুন বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।