ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনায় সম্মত হওয়ার কথা অস্বীকার করেছে

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 6 h ago
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা ইসলামাবাদে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা ইসলামাবাদে
 
ইরানঃ
 
ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনায় সম্মত হওয়ার কথা অস্বীকার করেছে, যা সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের বিরোধিতা করে। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আলোচনার জন্য মার্কিন প্রতিনিধিদল আজ রাতেই পাকিস্তানে পৌঁছাবে।

ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা ইরনা (IRNA) জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের অতিরিক্ত দাবি, অবাস্তব প্রত্যাশা, অবস্থান বারবার পরিবর্তন, পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এবং চলমান নৌ অবরোধের কারণেই তারা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরান এই নৌ অবরোধকে যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ বলেও উল্লেখ করেছে।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড হরমুজ প্রণালীও বন্ধ করে দিয়েছে। বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে এখন স্পষ্ট অনুমতি নিতে হবে এবং গার্ড অনুমোদিত পথেই চলতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ এগোলে তা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতির গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগ তুললেও সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে সতর্ক আশাবাদী মনোভাব দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, চুক্তি একভাবে বা অন্যভাবে হবেই, না হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত। এদিকে মার্কিন বাহিনী নৌ অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষ লেবাননের পরিস্থিতিকেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৃহত্তর আলোচনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করেছে। তেহরান আরও জানিয়েছে, সংঘাত শুরুর আগের তুলনায় এখন তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা দ্রুতগতিতে পুনরায় প্রস্তুত করা হচ্ছে—যা ভবিষ্যৎ আলোচনার আগে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা।

লেবাননে, ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণাঞ্চলে একটি ইয়েলো লাইন তৈরি করেছে, যা গাজায় আঁকা অনুরূপ সীমারেখার মতো। এটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা চিহ্নিত করছে। ইসরায়েলি সেনারা এখনও কয়েকটি সীমান্ত শহরে মোতায়েন রয়েছে এবং কিছু এলাকায় বাড়িঘর ধ্বংসের খবরও পাওয়া গেছে। একই সময়ে, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার বিষয়ে ইসরায়েল ও লেবানন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনা চলছে।

ইয়েমেনে, হুথি প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আল-আতিফি বলেছেন, ইয়েমেনি জনগণের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসন মোকাবিলায় তাদের বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির ওপর তারা নিবিড় নজর রাখছে।