পানিহাটিতে বিজেপির প্রার্থী আরজিকর নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 1 d ago
পানিহাটিতে বিজেপির প্রার্থী আরজিকর নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ
পানিহাটিতে বিজেপির প্রার্থী আরজিকর নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ
 
কলকাতা ঃ
 
বিধানসভা নির্বাচনের আগে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে প্রার্থী ঘোষণা।এবার তৃতীয় দফার তালিকা প্রকাশ করে বড় চমক দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে রত্না দেবনাথকে, যিনি আরজি কর-কাণ্ডে নির্যাতিতার মা। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিজেপির এই পদক্ষেপকে অনেকেই আবেগঘন ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন ধরেই পানিহাটি কেন্দ্র নিয়ে জল্পনা চলছিল। বিশেষ করে, নির্যাতিতার মা নিজেই নির্বাচনে লড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে খবর ছিল। অবশেষে সেই জল্পনাতেই সিলমোহর পড়ল তৃতীয় তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে।

এই তালিকায় আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। কোচবিহার থেকে লড়বেন রবীন্দ্রনাথ বোস , রায়গঞ্জে দীনেশ সরকার (হারাধন সরকার নামেও পরিচিত), ইসলামপুরে চিরঞ্জিত রায়, হেমতাবাদে হরিপদ বর্মন, ইংলিশবাজারে অম্লান ভট্টাচার্য এবং হাওড়া মধ্য কেন্দ্রে বিপ্লব মন্ডল প্রার্থী হয়েছেন। এছাড়াও হুগলির উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে প্রাক্তন এনএসজি অফিসারদীপাঞ্জন চক্রবর্তীকে, যা ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে রাজনৈতিক মহলের।

উল্লেখযোগ্যভাবে, বিজেপি ধাপে ধাপে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে। রাজ্যে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরদিনই প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের মতো হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর । তিনি দুই কেন্দ্র থেকেই লড়ছেন। পাশাপাশি খড়গপুর সদর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দিলীপ ঘোষ।

এরপর ১৯ মার্চ দ্বিতীয় দফায় আরও ১১২টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করে বিজেপি। তবে প্রথম ও দ্বিতীয় তালিকায় পানিহাটি কেন্দ্রের নাম ছিল না, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তৃতীয় তালিকায় এই কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করে সেই জল্পনার অবসান ঘটাল গেরুয়া শিবির।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পানিহাটি কেন্দ্র থেকে রত্না দেবনাথকে প্রার্থী করা শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি একটি বার্তা দেওয়ার কৌশল। নির্যাতনের শিকার পরিবারের একজন সদস্যকে প্রার্থী করে বিজেপি আইন-শৃঙ্খলা ও নারী নিরাপত্তা ইস্যুকে সামনে আনতে চাইছে