জন্তর-মন্তরে এক ছাত্র আন্দোলনকারীর বাবাকে মারধরের অভিযোগের মামলায় তিহাড় জেল থেকে মুক্তি পেলেন হিন্দুত্বপন্থী ইনফ্লুয়েন্সার স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। তিন দিন আগে দিল্লির একটি আদালত তাঁকে তিন সপ্তাহের অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিল।
জেল থেকে বেরিয়ে অপেক্ষায় থাকা একটি গাড়িতে দ্রুত উঠে পড়েন ভরদ্বাজ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন সহযোগী। ১৫ সেপ্টেম্বর আদালত জানিয়েছিল, তিন সপ্তাহ তাঁর আচরণ পর্যবেক্ষণের পর নিয়মিত জামিনের আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়ার সময় আদালত একাধিক শর্তও আরোপ করে। মামলাটি, তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থন বা অভিযোগকারীর পরিবার নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা অন্য কোনও মাধ্যমে পোস্ট, প্রকাশ বা আলোচনা করতে পারবেন না ভরদ্বাজ। অভিযোগকারী, তাঁর মেয়ে বা কোনও সাক্ষীর সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং প্রমাণে হস্তক্ষেপের উপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছে, জামিন আদালতের আস্থার প্রকাশ, প্রদর্শনের জন্য কোনও পুরস্কার নয়। জামিনে মুক্তির পর প্রকাশ্য উদযাপন না করার বিষয়েও সতর্ক করা হয়।
৪ সেপ্টেম্বর উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর থেকে ভরদ্বাজকে আটক করা হয়েছিল। তার আগে জंतर-মন্তরে আন্দোলনের সময় ছাত্র আন্দোলনকারীর বাবাকে মারধরের অভিযোগে তাঁর গ্রেফতারের দাবিতে সংসদ মার্গ থানার বাইরে বিক্ষোভ হয়েছিল। ৭ সেপ্টেম্বর তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয় এবং পরে তিহাড় জেলে রাখা হয়।
মামলাটির পরবর্তী শুনানি ৬ অক্টোবর হওয়ার কথা। অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদে ভরদ্বাজের আচরণও পরবর্তী জামিনের সিদ্ধান্তে বিবেচনা করা হবে।