মহাত্মা জ্যোতিবা ফুলের ২০০তম জন্মবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধাঞ্জলি
নয়াদিল্লি
শনিবার সংসদ ভবনের প্রেরণা স্থলে মহাত্মা জ্যোতিবা ফুলের ২০০তম জন্মবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এদিন লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা, লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ রাম মেঘওয়াল ও জে.পি. নাড্ডা, এবং প্রাক্তন রাজ্যসভা উপ-সভাপতি হরিবংশও মহাত্মা ফুলেকে শ্রদ্ধা জানান।
মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলে ছিলেন মহারাষ্ট্রের একজন বিশিষ্ট সমাজকর্মী, সংস্কারক ও লেখক। ১৮২৭ সালের ১১ এপ্রিল সাতারায় জন্মগ্রহণ করা ফুলে জাতিভেদ দূরীকরণ, নারীদের শিক্ষার প্রসার এবং নিপীড়িতদের ক্ষমতায়নের জন্য আজীবন কাজ করেছেন। তিনি তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে মিলে "সত্যশোধক সমাজ" প্রতিষ্ঠা করেন, যার লক্ষ্য ছিল কৃষক ও নিম্নবর্ণের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা।
লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা এক্স-এ লিখেছেন, “মহাত্মা ফুলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর সংগ্রাম কেবল আন্দোলন নয়, বরং এক সামাজিক জাগরণ ছিল, যা ভারতের চেতনার নতুন দিশা দিয়েছিল।”
গত বছর স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন যে মহাত্মা ফুলের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “মহাত্মা ফুলের নীতি ও মন্ত্র আমাদের অনুপ্রেরণা। পিছিয়ে পড়া ও দরিদ্রদের অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা সমাজে রূপান্তর আনতে চাই।”