কংগ্রেসের সিডব্লিউসি বৈঠক ; মহিলাদের কোটা আইন সংশোধন, ডিলিমিটেশন ও পশ্চিম এশিয়া নিয়ে আলোচনা

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 15 h ago
কংগ্রেসের  সিডব্লিউসি বৈঠক ; মহিলাদের কোটা আইন সংশোধন, ডিলিমিটেশন ও পশ্চিম এশিয়া নিয়ে আলোচনা
কংগ্রেসের সিডব্লিউসি বৈঠক ; মহিলাদের কোটা আইন সংশোধন, ডিলিমিটেশন ও পশ্চিম এশিয়া নিয়ে আলোচনা
 
নয়াদিল্লি:
 
কংগ্রেস শুক্রবার তাদের ওয়ার্কিং কমিটির (CWC) বৈঠক করবে, যেখানে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন, প্রস্তাবিত সীমা নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন) এবং পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

এই বৈঠকটি সংসদের তিন দিনের অধিবেশনের ঠিক আগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলাদের সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার জন্য বিল আনবে এবং লোকসভা আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৮১৬ করার প্রস্তাব করবে, যার মধ্যে ২৭৩টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

জানা গেছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বুধবার এমন খসড়া বিল অনুমোদন করেছে, যার মাধ্যমে ২০২৯ সালের আগে মহিলাদের সংরক্ষণ আইন কার্যকর করা এবং লোকসভা আসন সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।সূত্র জানায়, কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকটি বিকেল ৩টায় দলের ইন্দিরা ভবন সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে।

দলের শীর্ষ নেতারা সরকারের মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধনের উদ্যোগ, প্রস্তাবিত ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া এবং পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।

কংগ্রেস অভিযোগ করেছে যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহিলাদের কোটা আইন দ্রুত কার্যকর করার প্রস্তাবকে নির্বাচনী ইস্যু হিসেবে ব্যবহার করছেন।

গত সপ্তাহে বিরোধী দলটি দাবি করেছে যে, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য সরকার সংসদের “বিশেষ অধিবেশন” ডেকেছে, যা তাদের মতে আদর্শ আচরণবিধির “চরম লঙ্ঘন”।

কংগ্রেসের যোগাযোগ বিষয়ক সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ বলেছেন, তড়িঘড়ি করে ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া চালালে “গুরুতর পরিণতি” হতে পারে। তিনি বলেন, “বর্তমান ভারসাম্য এবং আপেক্ষিক শক্তির কোনও পরিবর্তন আমরা চাই না।”

কংগ্রেস আরও সতর্ক করে দিয়েছে যে, সংসদীয় ও বিধানসভা কেন্দ্রগুলির সীমা নির্ধারণ সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনে তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়, কারণ এটি একটি সংবেদনশীল বিষয় এবং এতে তামিলনাড়ু ও কেরালার মতো রাজ্যগুলি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

এছাড়াও, কংগ্রেস পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি নিয়েও পর্যালোচনা করবে।

পশ্চিম এশিয়া সংকট মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে কংগ্রেস কেন্দ্রকে কটাক্ষ করেছে এবং বলেছে, যুদ্ধবিরতি আনার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ভূমিকা প্রধানমন্ত্রী মোদীর “অত্যন্ত ব্যক্তিকেন্দ্রিক কূটনীতি”-র জন্য একটি বড় ধাক্কা।

বিরোধী দল আরও প্রশ্ন তুলেছে, যুদ্ধবিরতি আলোচনা চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী মোদী কেন সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত ছিলেন।