বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের আমন্ত্রণ ঘিরে সর্বদল বৈঠক থেকে প্রতীকী ওয়াকআউট বিরোধীদের

Story by  PTI | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 19 d ago
বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের আমন্ত্রণ ঘিরে সর্বদল বৈঠক থেকে প্রতীকী ওয়াকআউট বিরোধীদের
বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের আমন্ত্রণ ঘিরে সর্বদল বৈঠক থেকে প্রতীকী ওয়াকআউট বিরোধীদের

নয়াদিল্লি: 

 
সংসদের আসন্ন বর্ষাকালীন অধিবেশনের আগে ডাকা সর্বদল বৈঠকে বিদ্রোহী তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানোকে কেন্দ্র করে তীব্র বিক্ষোভ দেখাল বিরোধী শিবির। প্রতিবাদস্বরূপ রবিবার বৈঠক থেকে প্রতীকী ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের নেতারা।

বিরোধীদের অভিযোগ, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার একাধিক সিদ্ধান্ত সংসদীয় রীতি ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। বিশেষ করে, বিদ্রোহী তৃণমূলের ২০ জন সাংসদকে লোকসভায় পৃথক আসন বরাদ্দ এবং মহারাষ্ট্রে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (ইউবিটি)-র বিদ্রোহী সাংসদদের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনার সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই তাঁরা প্রতিবাদ জানান।

সংসদ ভবন চত্বরে কংগ্রেস নেতা প্রমোদ তিওয়ারি সাংবাদিকদের বলেন, "তৃণমূল ও শিবসেনা (ইউবিটি)-র বিদ্রোহী সাংসদদের বিষয়ে স্পিকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিরোধীরা সর্বদল বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।"

সিপিএম নেতা জন ব্রিটাসও বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের সর্বদল বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানোকে "ন্যায়বিচারের পরিপন্থী" বলে মন্তব্য করেন।তবে প্রতীকী প্রতিবাদ জানানোর পর বিরোধী নেতারা ফের বৈঠকে ফিরে যান এবং আলোচনায় অংশ নেন।

শনিবার সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে যাওয়া গোষ্ঠীর নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর আগে অনুষ্ঠিত সর্বদল বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁর দাবি, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ২০ জন সাংসদ ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-এ যোগ দিয়েছেন।

একই দিনে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বিদ্রোহী ২০ জন তৃণমূল সাংসদের জন্য লোকসভায় পৃথক আসনের অনুমোদন দেন। ফলে তাঁরা মূল তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদদের থেকে আলাদা বসবেন।

তবে বিদ্রোহী সাংসদদের এনসিপিআই-এর সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি স্পিকারের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে।অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণা (ডিসকোয়ালিফাই) করার দাবি জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, সংসদের প্রতিটি অধিবেশন শুরুর আগে সর্বদল বৈঠক ডাকা হয়। সেখানে সরকারের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয় এবং সংসদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা চাওয়া হয়।


শেহতীয়া খবৰ