শম্পি চক্রবর্তী পুরকায়স্থ
২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রচারে সঙ্গীতকে হাতিয়ার করে এক নতুন ধারার সূচনা করেছেন বিহারের দাড়ভাঙ্গার কনিষ্ঠতম বিধায়িকা ও ভক্তিগীতি সংগীতশিল্পী মৈথিলী ঠাকুর। এর এক উজ্জ্বল প্রতিফলন দেখা গেল বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর সাম্প্রতিক সফরে। কেরলের পর এবার কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতেও তিনি একইভাবে গানে গানে মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করছেন।
হাওড়া, ব্যান্ডেল, বর্ধমান, কালনা, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রচার করেছেন মৈথিলী। প্রতিটি মঞ্চেই তাঁর উপস্থিতি যেন এক সাংস্কৃতিক আবহ তৈরি করেছে। রাজনৈতিক ভাষণের বদলে সুরেলা পরিবেশনা দিয়ে তিনি শ্রোতাদের মন জয় করছেন অনায়াসেই।
বিশেষ করে এক অনুষ্ঠানে তিনি গেয়ে ওঠেন “কম্পিত তনু দল, গুণ যেত শ্যামল”, যা মুহূর্তেই উপস্থিত জনতার মধ্যে আবেগের সঞ্চার করে। গান, সুর ও আবৃত্তির মিশেলে তাঁর এই পরিবেশনা শুধু বিনোদন নয়, বরং এক গভীর সাংস্কৃতিক সংযোগের মাধ্যম হয়ে উঠছে।
এর আগে কেরলে মালয়ালম গান কিংবা বাংলায় 'একলা চলো রে' গেয়ে তিনি যেমন দর্শকদের মন কেড়েছিলেন, তেমনি বাংলার মাটিতেও স্থানীয় সুর ও ভাষার প্রতি তাঁর এই সম্মান মানুষের কাছে তাঁকে আরও আপন করে তুলছে।
ভারতীয় জনতা পার্টি-র হয়ে প্রচারে নেমে মৈথিলী ঠাকুর প্রমাণ করছেন, রাজনীতি শুধু বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তা হতে পারে সংস্কৃতি, আবেগ এবং মানুষের হৃদয়ের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার এক অনন্য মাধ্যম। প্রতিটি মঞ্চে তাঁর সুরেলা উপস্থিতি যেন একটাই বার্তা দিচ্ছে, ভোটের লড়াইয়েও হৃদয় জয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।