তরুণ নন্দী / কলকাতা
মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬৯০ নম্বর পেয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ হাইস্কুলের ছাত্র জিশান হোসাইন রাজ্যের মেধা তালিকায় অষ্টম স্থান অধিকার করেছে। তার এই সাফল্যে গর্বিত গোটা উত্তরবঙ্গের শিক্ষামহল। সীমান্তঘেঁষা সাধারণ গ্রাম থেকে উঠে আসা এই মেধাবী ছাত্রকে নিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতেছে কুমারগঞ্জের পশ্চিম ভোঁওর এলাকার মানুষেরা।
জিশানের এই দুর্দান্ত রেজাল্টের পর আনন্দে আত্মহারা তার ছেলেবেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ময়মনসিং কলোনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। তার এই ফলাফল ঘোষনার পর কুমারগঞ্জ হাইস্কুলের চত্বরে যেন উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক ক্ষিরোদ চন্দ্র বর্মণ জিসানের এই সাফল্যের প্রতিক্রিয়ায় জানালেন, ও পঞ্চম শ্রেণি থেকেই আমাদের স্কুলের রত্ন। জিসান শুধু পড়াশোনায় নয় বিদ্যালয়ের প্রতিটি সহ-শিক্ষামূলক বিষয়ে সে সমান পারদর্শী। ও যে মাধ্যমিক স্তরে গিয়ে বড় কিছু করবে, তা আমরা আশা করেছিলাম।
বর্তমানে জিশান কলকাতায় থেকে পড়াশোনা করছে। ছোট থেকেই বড়দের কথা শুনে নিয়মানুবর্তিতার মধ্যেই বড় হয়েছে সে। তার বাবা আমজাদ জামান জানান, মোবাইল ব্যবহার নিয়ে কড়া নিয়ন্ত্রন ছিল। নিয়ম করে পড়াশুনা করার এই একাগ্রতাই আজ তাকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। ভবিষ্যতে একজন আদর্শ চিকিৎসক হতে চান দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার এই কৃতি সন্তান।
বাংলার প্রান্তিক এলাকার সাধারণ ঘরের ছেলে গোটা জেলায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। গ্রামীণ পরিবেশ থেকেও যে সাফল্য ছোঁয়া যায় জিশান হোসাইন তার উদাহরণ।