পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনঃ ২য় দফা ভোট কাল, তিন দিন বন্ধ বাংলাদেশ সীমান্ত

Story by  atv | Posted by  Sudip sharma chowdhury • 4 h ago
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনঃ ২য় দফা ভোট কাল, তিন দিন বন্ধ বাংলাদেশ সীমান্ত
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনঃ ২য় দফা ভোট কাল, তিন দিন বন্ধ বাংলাদেশ সীমান্ত
 
কলকাতা ঃ
 
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট গ্রহণকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে থাকা আন্তর্জাতিক সীমান্ত তিন দিনের জন্য কার্যত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে নির্বাচনী প্রচার।

তবে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল রাখা হয়েছে। জরুরি চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে যাওয়া রোগী, ভোট দিতে যাওয়া বৈধ ভোটার এবং পচনশীল পণ্যবাহী যানবাহন সীমিত আকারে চলাচলের অনুমতি পাবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এই সিদ্ধান্তের ফলে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম এবং সাধারণ যাত্রী চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি দর্শনা-গেদে স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কার্যক্রমও সোমবার সকাল থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে, যা ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চালু হবে না। ফলে এই সময়ে পাসপোর্টধারী বাংলাদেশি ও বিদেশি নাগরিকরা এই পথে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন না।
 
এদিকে শেষ দফার ভোটকে ঘিরে সোমবার দিনভর রাজ্যজুড়ে জোর প্রচার চালান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে বারাকপুরে জনসভা করেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  প্রচারে অংশ নেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজ দলের প্রার্থীদের পক্ষে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। ভবানীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। একই এলাকায় তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী-ও জোর প্রচার চালান।

এই দফায় সাত জেলার মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নিচ্ছেন ১ হাজার ৪৪৮ জন প্রার্থী। নদীয়া, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ২ হাজার ৩৪৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, যার বড় অংশ সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে রাখা হয়েছে।

নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ও উত্তেজনার মধ্যে সীমান্ত বন্ধ রাখার এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের মানুষের চলাচল ও বাণিজ্যে সাময়িক প্রভাব ফেললেও প্রশাসন বলছে, শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।