ঢাকা:
মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুক্রবার থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। রাজধানী ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির-সহ বিভিন্ন মন্দির ও মণ্ডপে চলছে পুজোর আয়োজন। প্রতিমা স্থাপন, আলোকসজ্জা ও মণ্ডপসজ্জার কাজ প্রায় শেষ। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি হবে।
আয়োজকদের দাবি, এ বছর পুজোর বাজেট প্রায় দেড় কোটি টাকা। পুজো দেখতে মন্দিরে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসার কথা।ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পাশাপাশি পুরান ঢাকার শাঁখারি বাজার ও তাঁতিবাজারেও চলছে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি। আলোর সাজ, প্রতিমা তৈরি এবং পুজোর কেনাকাটায় জমজমাট বাজার এলাকা।
এ বছর বাংলাদেশজুড়ে ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দেড় হাজার বেশি। উৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। পুজোর ছুটিও বাড়িয়ে তিন দিন করা হয়েছে।
এবারের পুজোয় অভিনব প্রতিমা তৈরির উদ্যোগও নজর কেড়েছে। সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুরে দেড় লক্ষেরও বেশি দেশলাই কাঠি ও রেশমি সুতা দিয়ে তৈরি প্রতিমাটি আলোচনায় আসে। তবে সম্ভাব্য অগ্নিঝুঁকির কথা জানিয়ে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে পুজোর ঠিক আগে দেশলাই কাঠি সরিয়ে কিসমিস ও তিল দিয়ে প্রতিমার সাজ নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।
ঢাকা থেকে সাতক্ষীরা—বিভিন্ন এলাকার মণ্ডপে ভক্তদের সমাগম ঘিরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দুর্গোৎসব বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সম্প্রীতিরও এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।