ওয়াশিংটন ডিসি (যুক্তরাষ্ট্র):
মার্কিন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বুধবার যুক্তরাষ্ট্র–ভারত বাণিজ্য চুক্তি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন।লিভিট দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং সম্ভবত ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন,“আমাদের উৎপাদন খাত প্রেসিডেন্টের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই তিনি শুল্ক নীতির বিষয়ে এত দৃঢ় ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আপনারা গতকাল দেখেছেন, প্রেসিডেন্ট ভারতের সঙ্গে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি করেছেন। তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁদের মধ্যে খুবই ভালো সম্পর্ক রয়েছে। ভারত শুধু রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেয়নি, বরং যুক্তরাষ্ট্র এবং সম্ভবত ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এতে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও আমেরিকার জনগণের উপকার হবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মোদি পরিবহণ, জ্বালানি এবং কৃষি খাতে যুক্তরাষ্ট্রে ৫০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। এটি প্রেসিডেন্টের জন্য আরেকটি বড় সাফল্য।”লিভিট আরও বলেন, ট্রাম্পের শুল্ক নীতি আমেরিকার অর্থনীতিতে নগদ অর্থের প্রবাহ বাড়াচ্ছে।
তিনি বলেন,“প্রেসিডেন্টের শুল্ক নীতি কাজ করছে এবং তাঁর অর্থনৈতিক এজেন্ডাও সফল হচ্ছে। শুল্ক আরোপ, দেশীয় উৎপাদন পুনরুজ্জীবিত করা এবং বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার ফলে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে। গত কয়েক মাসে নির্মাণ খাতে চাকরির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কারণ কারখানাগুলি এখন যুক্তরাষ্ট্রেই তৈরি হচ্ছে এবং এতে আমেরিকানদের কাজ মিলছে।”
এর আগে মঙ্গলবার বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়াল বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবসময় কৃষি ও দুগ্ধ খাতের স্বার্থ রক্ষা করে এসেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারত–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে ভারতের অর্থনীতির সংবেদনশীল ক্ষেত্রগুলি, বিশেষ করে কৃষি ও দুগ্ধ খাত, সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।