হজ যাত্রার বিমানভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে বিতর্ক: কেন্দ্রের ব্যাখ্যায় উঠে এল বাস্তব চিত্র

Story by  atv | Posted by  Aparna Das • 1 h ago
হজ যাত্রার বিমানভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে বিতর্ক: কেন্দ্রের ব্যাখ্যায় উঠে এল বাস্তব চিত্র
হজ যাত্রার বিমানভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে বিতর্ক: কেন্দ্রের ব্যাখ্যায় উঠে এল বাস্তব চিত্র
 
নয়াদিল্লি

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হজ যাত্রার বিমানভাড়ায় ১০,০০০ টাকা বৃদ্ধি নিয়ে নানা উদ্বেগ ও মন্তব্য সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বহু বছর ধরে সঞ্চয় করে হজ পালনের স্বপ্ন দেখা প্রত্যেক তীর্থযাত্রীর অনুভূতির প্রতি তারা সম্পূর্ণভাবে সহানুভূতিশীল। আর সেই কারণেই হজ কমিটি যাত্রীদের স্বার্থে বিমান সংস্থাগুলির সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় বসেছিল।
 
সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, চলমান মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং তার ফলে এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের (ATF) দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে বিমান সংস্থাগুলি প্রতি যাত্রীর জন্য ৩০০ থেকে ৪০০ মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করেছিল। এই বৈশ্বিক সংকট কোনও একক সরকারের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নয় বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।
তবে দীর্ঘ আলোচনার পর এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক প্রতি যাত্রীর জন্য মাত্র ১০০ মার্কিন ডলার বাড়ানোর অনুমোদন দেয়। যাত্রার স্থান নির্বিশেষে এই বৃদ্ধি সমানভাবে প্রযোজ্য হয়েছে। ফলে বিমান সংস্থাগুলির প্রাথমিক দাবির তুলনায় প্রতি যাত্রীর ক্ষেত্রে ২০০ থেকে ৩০০ ডলার পর্যন্ত সাশ্রয় সম্ভব হয়েছে।
 
সরকারের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, এটি কোনওভাবেই যাত্রীদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা নয়; বরং বৃহত্তর আর্থিক বোঝা থেকে তাদের রক্ষা করারই প্রচেষ্টা। পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আইনি কাঠামোর মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে ২০২৬ সালের হজ যাত্রার প্রস্তুতিতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে। ইতিমধ্যেই এক লক্ষেরও বেশি তীর্থযাত্রী নিবন্ধিত রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
 
এছাড়াও উল্লেখ করা হয়েছে, বেসরকারি ট্যুর অপারেটররা ইতিমধ্যেই নিজেদের প্যাকেজের ভাড়া অনেকটাই বাড়িয়েছিল এবং পরবর্তীতে আরও প্রায় ১৫০ মার্কিন ডলার অতিরিক্ত বৃদ্ধি করেছে।
 
সবশেষে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের প্রতিটি মুসলিম নাগরিকের জন্য হজ যাত্রাকে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও সেই লক্ষ্যেই কাজ চালিয়ে যাবে।