মহিলা সংরক্ষণ আইন সংশোধন ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিলকে যুক্ত করা ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র: মমতা
মাথাভাঙা (পশ্চিমবঙ্গ):
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার দাবি করেছেন, মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশন গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিলগুলিকে একসঙ্গে যুক্ত করা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং এনআরসি কার্যকর করার একটি “ষড়যন্ত্র”।
কোচবিহার জেলার মাথাভাঙায় এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, মহিলা সংরক্ষণ বিল ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিলকে যুক্ত করে ভারতকে বিভক্ত করার চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, “মহিলা সংরক্ষণ এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিলকে যুক্ত করে দেশকে ভাগ করার চেষ্টা হচ্ছে। এই বিলগুলিকে একসঙ্গে জুড়ে দেওয়া ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং এনআরসি চালুর ষড়যন্ত্র।”
বৃহস্পতিবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল এবং অমিত শাহ বিরোধীদের বিক্ষোভের মধ্যেই মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশন গঠনের জন্য তিনটি বিল উত্থাপন করেন। বিরোধীরা প্রস্তাবিত আইনগুলিকে অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করেছে।
লোকসভায় উত্থাপিত বিলগুলি হল—
‘দ্য কনস্টিটিউশন (ওয়ান হান্ড্রেড অ্যান্ড থার্টি-ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’,
‘দ্য ডিলিমিটেশন বিল, ২০২৬’ এবং
‘দ্য ইউনিয়ন টেরিটোরিজ লজ (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’।
২৯৪ সদস্যের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে—২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ মে।