প্রধানমন্ত্রীর "মন কি বাত" অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার জম্পুই পাহাড়ের জল সংরক্ষণের নজিরকে সাধুবাদ
নূরুল হক, আগরতলা:
পাহাড়ের সঙ্গে রাশি রাশি মেঘের লুকোচুরি খেলা সহ মেঘের বুক চিরে সূর্যোদয়ের মনোরম দৃশ্যের কারণে এমনিতেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পর্যটন মানচিত্রে আকর্ষণের শীর্ষস্থানে রয়েছে ত্রিপুরার জম্পুই পাহাড়। এবার বৃষ্টির জল সঞ্চয়ের জন্য সেই জম্পুই পাহাড়ের কোল ঘেঁষা ভাংমুন গ্রাম উঠে আসলো দেশের প্রধানমন্ত্রীর "মন কি বাত" অনুষ্ঠানে।
৩০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ভাংমুন শহরের অধিবাসীরা কিভাবে বৃষ্টির জল সঞ্চয়ের মধ্য দিয়ে নিজেদের জল সংকট মোচন করেছেন তা দেশবাসীর কাছে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠানে ভিডিও চিত্র সহ ফুটে উঠেছে ত্রিপুরার অপরূপ সুন্দর এবং পরিছন্ন ভাংমুন গ্রামের ছবি। প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাতে ত্রিপুরার গ্রামের সাফল্যের উদাহরণ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় রীতিমতো উচ্ছ্বসিত রয়েছেন সেই গ্রামের নাগরিক মহল। একইভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ মন্ত্রী বিধায়করা বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত রবিবার ২৯ মার্চ ছিল প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠানের ১৩২ তম পর্ব। এ দিনের পর্বে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে রাজনীতির উর্ধ্বে সমস্ত দেশবাসীকে একসঙ্গে পরিস্থিতির মোকাবেলার আহ্বান জানান এবং বলেন ভারত জিতবেই। এই অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী জল সঞ্চয়ের প্রসঙ্গ তুলে ত্রিপুরার জম্পুই পাহাড়ের পাদদেশে থাকা ভাংমুন গ্রামের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন পাহাড়ের পাদদেশে ৩ হাজার ফুট উচ্চতায় এই গ্রামের অধিবাসীরা গরমের দিনগুলিতে প্রচন্ড জলের অভাবে ভুগতেন এবং অনেক দূর থেকে তাদের জল সংগ্রহ করতে হতো। তাদের অত্যান্তিক চেষ্টায় জলের তীব্র সংকর থেকে মুক্তি পেয়েছেন। "রুফটপ রেইন হারভেস্টিং" তথা ছাদ থেকে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের মাধ্যমে তারা গড়ে তুলেছেন টেকসই জীবনের এক উজ্জ্বল নজির।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডক্টর মানিক সাহা নিজের সামাজিক মাধ্যমে মোদীজি কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখে ভাংমুন গ্রামের নাগরিকদের এই বিশেষ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে, যা সমগ্র রাজ্যের জন্য গর্বের বিষয়